Showing posts with label hot news. Show all posts
Showing posts with label hot news. Show all posts

Monday, 15 January 2018

আকাশে তিনরঙা চাঁদ! ৩১ জানুয়ারি | ডেইলি সান


চন্দ্রগ্রহণের দিন এক সরলরেখায় আসে সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী। সূর্য আর চাঁদের মাঝে থাকে পৃথিবী। পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়ায় ঢাকা পড়ে যায় গোটা চাঁদ। পৃথিবী থেকে আর দেখা যায় না চাঁদকে। পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের সময় সূর্যের আলো বাধা পায় পৃথিবীতে। ফলে তা চাঁদ পর্যন্ত এসে পৌঁছায় না। তখনই হয় পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ। আর এই এক রাতেই এবার আকাশে তিন রঙের চাঁদ দেখা যাবে। একসাথে দেখা যাবে ব্লু মুন, সুপারমুন এবং ব্লাড মুন। ১৫১ বছর অন্তর ঘটে এমন ঘটনা। আর বিরল ঘটনাটি ঘটবে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি।

জানা গেছে, ৩১ জানুয়ারি হবে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ। কিন্তু সেদিন গ্রহণ ছাড়াও দেখা যাবে অভাবনীয় কিছু দৃশ্য। নাসা চাঁদের এই দুর্লভ রূপ বদলের নাম দিয়েছে সুপার ব্লু ব্লাড মুন। পূর্ণিমার চাঁদ যত বড় হয় তার থেকে ৭ শতাংশ বেশি বড় দেখাবে সেদিনের চাঁদকে। অন্যান্য পূর্ণিমার চাঁদের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি উজ্জ্বলও হবে ওই সুপারমুন। এরপর যেটা লক্ষ্য করা যাবে তা হল, উজ্জ্বল এই সুপারমুনের রং হবে নীল। অর্থাৎ সুপারমুন হবে ব্লু মুন। তারপর দেখা যাবে ব্লাড মুন।

পৃথিবী চাঁদের তুলনায় বড় হওয়ায় গোটা চাঁদ পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকা পড়ে যায়। শুধু লাল অংশ চাঁদে গিয়ে পড়ে। তখন চাঁদকে লালচে রঙের দেখতে লাগে। যাকে বলা হয় ব্লাড মুন। তবে সুপারমুন ও ব্লু মুন প্রায় সব জায়গা থেকে দেখা যাবে। ব্লাড মুন সবথেকে ভালো দেখা যাবে নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার কিছু অংশ এবং সেন্ট্রাল ও ইস্টার্ন এশিয়ার দেশগুলোতে। তবে আফ্রিকা এবং যুক্তরাষ্ট্রের এই বিরল দৃশ্য বেশিরভাগ জায়গাতেই দেখা যাবে না।

Tuesday, 9 January 2018

আমি ডাক্তার, আমার কাজ এগুলা করা; জোড় করে বিবস্ত্র করে….


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের চিকিৎসক রিয়াদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রী (১৭)।
গত সোমবার রাজধানীর শাহবাগ থানায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমনের সাধারণ নিবন্ধন শাখায় (জিআর) এই মামলার এজাহার আসে। এমন খবর দিয়েছে এনটিভি অনলাইন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, কিশোরী ওই ছাত্রীর বাড়ি ভোলা জেলায়। সে চর্মরোগে আক্রান্ত ছিল। গত বছরের ৬ অক্টোবর ভোলার যমুনা মেডিকেল সার্ভিসেসে ডাক্তার রিয়াদ সিদ্দিকীর কাছে ওই ছাত্রী তার চর্মরোগের সমস্যা নিয়ে পরামর্শ নিতে যায়। বিএসএমএমইউর ডাক্তার হলেও রিয়াদ সিদ্দিকী প্রতি শুক্রবার ভোলায় রোগী দেখতেন। ডাক্তার রিয়াদ প্রথম সাক্ষাতের সময় ওই কিশোরীকে বিবস্ত্র করে শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে মলম লাগিয়ে দেন। এ বিষয়ে কিশোরী প্রতিবাদ করলে ডাক্তার রিয়াদ বলেন, ‘আমি তোমার ডাক্তার। আমার কাজ এগুলা করা, আমি এগুলো করব।’ এ বলে ওই চিকিৎসক ছাত্রীর সব স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেন এবং কাউকে কিছু বলতে বারণ করেন। এরপর ছাত্রী লজ্জায় কাউকে কিছু বলেনি।
এরপর গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর ওই ছাত্রী পুনরায় চিকিৎসা করাতে ডাক্তার রিয়াদের কাছে যায়। ওই দিন ডাক্তার রিয়াদ আবার জোড় করে বিবস্ত্র করেন এবং যৌন কাজে লিপ্ত হন। ওই ছাত্রী তখন চিৎকার করলে ডাক্তার ওড়না দিয়ে তার মুখ বেঁধে ফেলেন। ছাত্রীকে বিষাক্ত ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর ডাক্তার রিয়াদ ওই ছাত্রীর কিছু গোপনীয় ছবি তুলেন এবং তা ইন্টারনেটে তুলে দেওয়ার হুমকি দেন। সেই সঙ্গে ছাত্রীকে নিয়মিত তার কাছে আসতে বলেন। এরপর ডাক্তার বিভিন্ন সময়ে ওই ছাত্রীর মা-বাবাকে ফোন করে জানান, আপনার মেয়ের মরণব্যাধি রোগ হয়েছে। তাকে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা নিতে হবে। এ ছাড়া ডাক্তার রিয়াদ সিদ্দিকী ওই ছাত্রীর মা-বাবাকে তাদের মেয়েকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন।
গত ৩০ ডিসেম্বর ওই ছাত্রীর মা-বাবাকে ফোন দিয়ে ডাক্তার রিয়াদ বলেন, আপনার মেয়ের চিকিৎসার জন্য বোর্ড বসানো হবে। পরের দিন ৩১ ডিসেম্বর ছাত্রীর মা-বাবা মেয়েকে নিয়ে সকালে ঢাকায় আসেন এবং বিএসএমএমইউ হাসপাতালে এসে পৌঁছান।
এরপর ডাক্তার রিয়াদকে ফোন দিলে ওইদিন সকাল ১০টায় মা-বাবা হাসপাতালের বটগাছের সামনে দেখা করেন এবং বোর্ড বসিয়ে ডাক্তার দেখানো হবে বলে ক্যান্টিনে অপেক্ষা করতে বলেন। ডাক্তার রিয়াদ ওই ছাত্রীকে হাসপাতালের বি ব্লকে এক নির্জন স্থানে নিয়ে যান এবং ধর্ষণ করার চেষ্টা করেন। ওই ছাত্রী কান্নাকাটি করে এবং একপর্যায়ে পালিয়ে যায়। পরে এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে চিকিৎসক রিয়াদ সিদ্দিকীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে।
Source File : http://bdexpress.uodoo.com

Friday, 22 December 2017

জাতিসংঘে প্রস্তাব পাসে খুশিতে মাতোয়ারা মুসলিম বিশ্ব

জেরুজালেম ইস্যুতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মুসলিম বিশ্ব খুশিতে মাতোয়ারা। ফিলিস্তিনিদের পক্ষাবলম্বনকারী দেশগুলোকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুসলিম বিশ্বের নেতারা। রাশিয়া বলেছে, এটা আমেরিকার জন্য বড় পরাজয়। তবে ক্ষোভে উন্মত্ত মার্কিন প্রশাসন এখন কী পদক্ষেপ নেয় তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা চলছে।
 
বৃহস্পতিবার রাতে ট্রাম্পের প্রস্তাব বাতিল চেয়ে উত্থাপিত প্রস্তাবের পক্ষে ১২৮টি দেশ ভোট দেয়। বিপক্ষে ভোট দেয় মাত্র ৯টি দেশ। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ছাড়া বাকি দেশগুলো কার্যত যুক্তরাষ্ট্রের উপনিবেশ। ভোটদান থেকে বিরত ছিল ৩৫ দেশ। এ প্রস্তাবের আইনি মূল্য কম হলেও প্রতীকী মূল্য ব্যাপক বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।
 
ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর ওআইসির চেয়ারম্যান এবং তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোগান সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। টুইটারে তিনি বলেছেন, ‘আমরা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বিপুল সমর্থনকে ভীষণ আনন্দের সঙ্গে স্বাগত জানাচ্ছি। আমরা আশা করি, ট্রাম্প প্রশাসন ওই দুর্ভাগ্যজনক সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করবে। এটা স্পষ্ট যে, এর কোনো বৈধতা নেই।’ ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, আমেরিকার মধ্যস্থতা তার দেশ আর মানবে না।
 
বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জেরুজালেম নিয়ে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বেশিরভাগ দেশ। সাহায্য বন্ধে মার্কিন হুমকির তোয়াক্কা না করে এসব দেশ ভোট দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র এখন কী ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সেটা নিয়ে চলছে আলোচনা। ট্রাম্পপন্থী বহু রাজনীতিবিদ ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, সহযোগিতা গ্রহণকারী দেশগুলো শাসানো উচিত। তাদের বলা উচিত, এমনটা যেন আর না হয়। কেউ কেউ বলছেন, মার্কিন কর্মকর্তারা যেন বিপক্ষে ভোট দেয়া দেশের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ বন্ধ করে দেন। তবে কঠিন পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে সংশয়ও রয়েছে তাদের মনে।
 
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জাতিসংঘে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি দু’জনই আর্থিক সহায়তা বন্ধের হুমকি দিয়েছিলেন। সহযোগিতা বন্ধের হুমকি দিয়ে ভোটের আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘তাদের আমরা কোটি কোটি ডলার সহায়তা করি। আর তারা আমাদেরই বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে চায়। ভোট দিক তারা, আমাদের অনেক টাকা বাঁচবে।’
 
ভোটের আগ মুহূর্তে দেয়া ভাষণে নিকি হ্যালি বলেন, জাতিসংঘ ও এর বিভিন্ন সংস্থায় সবচেয়ে বেশি অর্থ দেয় আমেরিকা। ফলে এ সংস্থায় তাদের চাহিদা বা প্রত্যাশাও বেশি থাকবে। অথচ তার বদলে এখানে যুক্তরাষ্ট্রকে অপমানজনক পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে। নিকি হ্যালি বলেন, ‘আমাদের বিনিয়োগের জন্য আরও বেশি চাওয়ার অধিকার রয়েছে। যদি আমাদের বিনিয়োগ ব্যর্থ হয় তাহলে আরও লাভজনক খাতে আমাদের বিনিয়োগ কাজে লাগানোর বাধ্যকতা আছে। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেবে তাদের বিষয়টি মনে রাখা উচিত।’ সাধারণ পরিষদের জরুরি বৈঠকে নিকি হ্যালি অঙ্গীকার করেন, যুক্তরাষ্ট্র জেরুজালেমেই দূতাবাস নিয়ে যাবে। এটাই চায় আমেরিকার মানুষ এবং এটা করা সঠিক। মার্কিন দূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে শান্তি প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মতো কিছু নেই। যুক্তরাষ্ট্র আজকের এ দিনটি মনে রাখবে। যেদিন জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের শিকার হয়েছে। আমরা তখনও এ দিনটি মনে রাখব যখন অনেকে আমাদের কাছে সহযোগিতা চাইতে আসবে, যা তারা প্রায় সময়েই করে থাকে।
 
হ্যালি ঘোষণা দিয়েছিলেন, যারা যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ভোট দেবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয় যুক্তরাষ্ট্র কেমন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। এক মার্কিন সূত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা এপি জানায়, ভোটের জন্য দেশগুলোকে ছাড় দেয়া হবে না। বরং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এর প্রভাব পড়তে পারে। তবে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র হেদার নরেট বলেছেন, এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।
 
মার্কিন রাজনীতিবিদরা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, মিসর ও জর্ডানের মতো মিত্ররাও যেখানে রয়েছে সেখানে কিভাবে এ পদক্ষেপ নেবে যুক্তরাষ্ট্র। রিগান ও বুশ প্রশাসনে শীর্ষ কমকর্তা হিসেবে দায়িত্বপালন করা এলিয়ট আব্রাম বলেন, ওই দেশগুলোতে আর্থিক সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রেরই জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখে।
 
ট্রাম্পের পক্ষে যে কারণে ভোট : জেরুজালেমকে ইসরাইলি দখলদারিত্বের পক্ষে ভোট দেয় ৯টি দেশ। এ ৯ দেশের দুটি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। অর্থাৎ মাত্র সাতটি দেশ এ ইস্যুতে ট্রাম্পের পাশে ছিল। ওই সাতটি দেশের মধ্যে চারটিই আবার ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্র। চার দেশের তিনটিই এক সময় যুক্তরাষ্ট্রের উপনিবেশ ছিল। এখনও দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে তারা কার্যত মার্কিন শাসনাধীন। দেশ তিনটি হচ্ছে- মাইক্রোনেশিয়া, পালাউ এবং দ্য মার্শাল আইল্যান্ডস। এর মধ্যে ১০ হাজারের কম জনসংখ্যার দেশও আছ। কোনোটির মানুষ আবার চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতেও চাকরি করতে পারেন। ফলে পররাষ্ট্র নীতিতে মার্কিন সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়ার সুযোগ তাদের নেই বললেই চলে। বাকি দেশগুলোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াতেও যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া হুমকির প্রভাব ছিল।
 
ট্রাম্পের প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়া এবং ভোটদান থেকে বিরত থাকা দেশগুলোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভয়ভীতি নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। ফলে এ দেশগুলোর নাম-পরিচয়ের ব্যাপারে মানুষের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সাধারণ পরিষদের ভোটাভুটিতে জেরুজালেম প্রশ্নে মার্কিন পদক্ষেপকে সমর্থন জানায় গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, পালাই, দ্য মার্শাল আইল্যান্ডস, মাইক্রোনেশিয়া, নাউরু, টোগো, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে বাদ দিলে বাকি সাতটি দেশের মধ্যে চারটি দেশই প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্র।
 
মার্শাল আইল্যান্ডস প্রশান্ত মহাসাগরের কয়েকটি দ্বীপ নিয়ে গঠিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ জারি হয়। বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, এ দ্বীপ রাষ্ট্রটিতে ৫৩ হাজার মানুষের বসবাস। ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বাধীনতা পায় মার্শাল আইল্যান্ডস। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির করা এক চুক্তিতে ওয়াশিংটনকে মার্শাল আইল্যান্ডসের পররাষ্ট্র নীতির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা দেয়া আছে। পালাউ রাষ্ট্রটিও প্রশান্ত মহাসাগরের একগুচ্ছ দ্বীপ নিয়ে গঠিত যা যুক্তরাষ্ট্রের শাসনাধীন ছিল। ১৯৯৪ সালে দেশটি স্বাধীনতা অর্জন করে। তবে এক চুক্তির আওতায় ৫০ বছর ধরে দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগ যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে আছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্টবুকের তথ্য অনুযায়ী, পালাউয়ে ২১ হাজার ৪০০ মানুষের বসবাস। আরেক দ্বীপ রাষ্ট্র মাইক্রোনেশিয়ায় ১ লাখ ৪ হাজার মানুষ বাস করেন। ১৯৮৬ সাল নাউরু যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে না থাকলেও ২১ বর্গ কিলোমিটারের এ দেশটিতে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা ১০ হাজারেরও কম।
 
কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও মেক্সিকোসহ যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশগুলো ভোটদান থেকে বিরত ছিল। আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকো এর আগে ফিলিস্তিনের সমর্থনে থাকলেও বৃহস্পতিবার ইসরাইলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এমনকি গুয়াতেমালা ও হন্ডুরাসের অবস্থানও একই রকম ছিল। কেনিয়ার মতো উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানের মতো আফ্রিকান দেশগুলোও ভোটদান থেকে বিরত ছিল। মিয়ানমার ও ফিলিপাইনও বিরত ছিল ভোটদান থেকে। ২০১২ সালে তারা ফিলিস্তিনের পক্ষেই ছিল। তবে এশিয়ায় ভারত ও চীন ইসরাইলের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিগত কয়েক বছরে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু আফ্রিকা, এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার বেশ কিছু দেশে প্রভাব বিস্তার করতে সমর্থ হয়েছে।
 
আমেরিকার জন্য বড় পরাজয় -রাশিয়া : রাশিয়ার পররাষ্ট্র সম্পর্কবিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি আলেক্সি পুশকোভ বলেছেন, মার্কিন হুমকি সত্ত্বেও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জেরুজালেম ইস্যুতে প্রস্তাব পাস হয়েছে। এটা আমেরিকার জন্য বড় পরাজয়।
 
তিনি শুক্রবার তার টুইটার পেজে লিখেছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বায়তুল মোকাদ্দাস ও নাৎসিবাদ সংক্রান্ত দুটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। দুটি প্রস্তাবেরই বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল আমেরিকা। কিন্তু জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সদস্য দেশের ভোটে দুটি প্রস্তাবই পাস হয়েছে। আমেরিকা যে বিশ্বে একঘরে হয়েছে এটি তার প্রমাণ। তিনি বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আমেরিকা পরাজিত হয়েছে।
 
আমেরিকাকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে মানব না -মাহমুদ আব্বাস : ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, তার দেশ মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়ায় আমেরিকার পক্ষ থেকে নেয়া কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করবে না। একই সঙ্গে তিনি ওয়াশিংটনকে একটি ‘অসৎ মধ্যস্থতাকারী’ পক্ষ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
 
শুক্রবার প্যারিসে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকের পর মাহমুদ আব্বাস বলেন, শান্তি প্রক্রিয়ায় আমেরিকা নিজেকে ‘অসৎ মধ্যস্থতাকারী’ হিসেবে প্রমাণ করেছে এবং ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত কোনো পরিকল্পনা আমরা গ্রহণ করব না।”
 
প্রেসিডেন্ট ম্যাত্রেঁদ্ধা বলেন, মার্কিনিরা নিজেদের একঘরে করে ফেলছে। তবে এ একই কাজ আমি না করার চেষ্টা করছি।”
 
সত্য ও ন্যায়ের জয় হয়েছে -হামাস : জাতিসংঘের জরুরি বৈঠকে জেরুজালেম প্রশ্নে ভোটাভুটিতে সত্য, ন্যায় ও ইতিহাসের জয় হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের মুক্তি আন্দোলনের সংগঠন হামাস। বৃহস্পতিবার ভোটের পর হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়েহ এ মন্তব্য করেছেন। হামাস প্রধান জানান, জাতিসংঘের এ ভোটে জনগণের আকাক্সক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃত্ব ও রাজনৈতিক ভীতি প্রদর্শন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে হানিয়েহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনকে আন্তর্জাতিক ইচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জেরুজালেমকে রাজধানীর স্বীকৃতি প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছেন।

Source file : http://bdexpress.uodoo.com

Tuesday, 31 October 2017

বিয়ে করলেন তাসকিন



দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ শেষে আজ সকালেই দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। বিমানবন্দরে ক্রিকেটারদের গোমড়া মুখ দেখে বোঝা যাচ্ছিল হারের ধাক্কা এখনো সামলে ওঠেননি তাঁরা।এমন থমথমে পরিস্থিতিতে একটা আনন্দের সংবাদ পাওয়া গেল তাসকিন আহমেদের সৌজন্যে। দেশে ফিরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন বাংলাদেশ দলের পেসার।

তাসকিন গাঁটছড়া বেঁধেছেন তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেমিকা সৈয়দা রাবেয়া নাঈমার সঙ্গে। রাতে বিয়ের বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন তাসকিন নিজেই। যদিও এ নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি ২২ বছর বয়সী পেসার। তাঁর বাবা আবদুর রশিদ অবশ্য বললেন, 'মেয়ে আগে থেকেই পছন্দ করা ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই বিয়ের আয়োজন করতে হল। পরে সুবিধাজনক সময়ে বড় করে অনুষ্ঠান করব।'

বিয়েতে সতীর্থদের দাওয়াত করেছেন তাসকিন। বিপিএল নিয়ে ব্যস্ততা থাকায় বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই উপস্থিত হতে পারেননি অনুষ্ঠানে। তবে মাশরাফি বিন মুর্তজা গিয়েছিলেন তাঁর পরিবারকে নিয়ে। বোঝাই যাচ্ছে বিয়ের আয়োজন চলছিল আগ থেকেই। মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের লালমাটিয়ায় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।






Source File : http://www.prothom-alo.com/sports/article/1355691

Friday, 13 October 2017

'ব্লু হোয়েল গেম' থেকে বিরত থাকতে করণীয় || ব্লু হোয়েল গেম কি

অবসরে স্মার্টফোনে গেম খেলার পরিণতি এতটা ভয়ানক হতে পারে কদিন আগেও কে ভেবেছিল তা?  কিন্তু এখন ভাবতে হচ্ছে তা। সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে আতংকের নাম হয়ে দাঁড়ানো ‘ব্লু হোয়েল’ গেম কেড়ে নিয়েছে অনেক তরুণ প্রাণ।

এর পরপরই মানুষ অনুধাবন করছে আপাত সাধারণ অনলাইন ভিত্তিক একটি গেমও কতটা মারাত্মক হতে পারে। আতঙ্কের পুরো নাম ‘ব্লু হোয়েল সুইসাইড গেম’। যেখানে একজনকে অতি সহজে বোকা বানিয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায় গেমটির এ্যাডমিন। গেমটি খেলতে খেলতে ব্যবহারকারীরা এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ছে যে এক সময় আত্মহত্যা করতেও হৃদয় কাঁপছে না তাদের।
পশ্চিমা ও ইউরোপীয় দেশগুলো ইতোমধ্যে এই গেমটির বিপক্ষে স্কুল কলেজসহ বিভিন্ন জায়গায় প্রচারণা চালাচ্ছে। তরুণ-তরুণীদের এ গেম খেলা থেকে বিরত রাখার জন্য রীতিমত চিন্তিত হয়ে পড়েছেন সেসব দেশের বিশেষজ্ঞরা।

Monday, 18 September 2017

প্রিয়াঙ্কার সেক্স ভিডিও নিয়ে ‘হইচই’ নেট দুনিয়ায়

স্টাফ রিপোর্টার কলকাতা : নন্দিনী তখন খুব ব্যস্ত তাঁর বাড়ির দুর্গা পুজো নিয়ে । এই ব্যস্ততার মাঝেই তাঁর কাছে আসে তাঁর স্বামীর সেক্স ভিডিও। যা তোলপাড় করে দেয় নন্দিনীর জীবন।

ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে তাঁর স্বামী কে অন্য মহিলার সঙ্গে সেক্স করতে। আর সেই নিয়ে ‘হইচই’ পড়ে গেছে। এসব দেখেও তবু ছেলে মেয়েদের মুখ চেয়ে সম্পর্ক বাঁচিয়ে রাখতে চায় নন্দিনী।
এরা হল সকলেই ‘হ্যালো’ গল্পের চরিত্র। এই ‘হ্যালো’ একটি ওয়েব সিরিজ। সেই সিরিজের ট্রেলার মুক্তি পেতে না পেতেই ‘হইচই’ পড়ে গেছে নেট দুনিয়ায়।
বাঙালির বিনোদনের স্বাদ বদলেছে। বর্তমান মানুষের চোখ আটকে গেছে ৫ইঞ্চি মোবাইল স্ক্রিনে। এখন আর সেই বোকা বাক্সের যুগ নেই।
‘হৈ চৈ’ হল একটি ডিজিটাল টেলিভিশন। যারা আনতে চলেছে এই ওয়েব সিরিজটি। যেখানে অভিনয়ে রয়েছেন রাইমা সেন,জয় সেন গুপ্ত, প্রিয়াঙ্কা সরকার। ‘হ্যালো’ মুক্তি পাওয়ার পর আরও দুটি ওয়েব সিরিজ ‘কার্টুন’ এবং ‘হোলি ফাঁক’ এর পরিকল্পনাও করে রাখা হয়েছে।
এর আগে ‘দুপুর ঠাকুরপো’-র মত পরকীয়া প্রেম নিয়ে উষ্ণ ওয়েব সিরিজ দেখা গেছে। আর সেই গল্পের উষ্ণতাকে আরও মাখো মাখো করে তুলেছিলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।