সবার কাছে অতি পরিচিত খাদ্য ডিম। এটি পরিপূর্ণ পুষ্টিকর খাবার, যা শরীরের নানা উপকার ও স্বাস্থ্যের জন্য অতি উত্তম। ডিম নিয়ে আমাদের মাঝে নানা ভুল ধারণাও আছে। স্বাস্থ্যসচেতন মানুষ ডিম খাওয়া নিয়ে অনুমাননির্ভর দুশ্চিন্তায় ভোগেন। অনেকে মনে করেন, ডিমের কোলেস্টেরল হৃদরোগ, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক) সৃষ্টি করে। আবার কেউ মনে করেন ডিম খেলে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপ্রেসার হয়। পেটে গ্যাস জমা হয়।
কিন্তু আসলে এসব ক্ষেত্রে ডিম কতটুকু দায়ী তা জানা দরকার। আর ডিম কাদের জন্য ক্ষতিকর এ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা দরকার। তা ছাড়া ডিমের উপাদান সম্পর্কে জানা থাকলে আমরা ডিমের মতো সুষম খাবার থেকে বঞ্চিত হবো না।
ডিম মুখরোচক, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, কোলিন ও ভিটামিন সি ছাড়া অন্যান্য ভিটামিনে ভরপুর। ডিমের বাইরের শক্ত খোসা ছাড়া ভেতরের সব অংশই খাদ্য উপযোগী। একটি ডিমের গড় ওজন ৬০ গ্রাম প্রায়। পুুষ্টিমানের দিক দিয়ে হাঁস ও মুরগির ডিমের তেমন কোনো পার্থক্য নেই। দেশী ডিমের চেয়ে ফার্মের ডিমের পুষ্টিগুণ বেশি থাকে। তবে মুরগির ডিমের চেয়ে হাঁসের ডিমের পুষ্টিগুণ বেশি। কারণ হাঁসের ডিম মুরগির ডিমের চেয়ে বড়।
