Showing posts with label top news. Show all posts
Showing posts with label top news. Show all posts

Tuesday, 9 January 2018

আমি ডাক্তার, আমার কাজ এগুলা করা; জোড় করে বিবস্ত্র করে….


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের চিকিৎসক রিয়াদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রী (১৭)।
গত সোমবার রাজধানীর শাহবাগ থানায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমনের সাধারণ নিবন্ধন শাখায় (জিআর) এই মামলার এজাহার আসে। এমন খবর দিয়েছে এনটিভি অনলাইন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, কিশোরী ওই ছাত্রীর বাড়ি ভোলা জেলায়। সে চর্মরোগে আক্রান্ত ছিল। গত বছরের ৬ অক্টোবর ভোলার যমুনা মেডিকেল সার্ভিসেসে ডাক্তার রিয়াদ সিদ্দিকীর কাছে ওই ছাত্রী তার চর্মরোগের সমস্যা নিয়ে পরামর্শ নিতে যায়। বিএসএমএমইউর ডাক্তার হলেও রিয়াদ সিদ্দিকী প্রতি শুক্রবার ভোলায় রোগী দেখতেন। ডাক্তার রিয়াদ প্রথম সাক্ষাতের সময় ওই কিশোরীকে বিবস্ত্র করে শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে মলম লাগিয়ে দেন। এ বিষয়ে কিশোরী প্রতিবাদ করলে ডাক্তার রিয়াদ বলেন, ‘আমি তোমার ডাক্তার। আমার কাজ এগুলা করা, আমি এগুলো করব।’ এ বলে ওই চিকিৎসক ছাত্রীর সব স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেন এবং কাউকে কিছু বলতে বারণ করেন। এরপর ছাত্রী লজ্জায় কাউকে কিছু বলেনি।
এরপর গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর ওই ছাত্রী পুনরায় চিকিৎসা করাতে ডাক্তার রিয়াদের কাছে যায়। ওই দিন ডাক্তার রিয়াদ আবার জোড় করে বিবস্ত্র করেন এবং যৌন কাজে লিপ্ত হন। ওই ছাত্রী তখন চিৎকার করলে ডাক্তার ওড়না দিয়ে তার মুখ বেঁধে ফেলেন। ছাত্রীকে বিষাক্ত ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর ডাক্তার রিয়াদ ওই ছাত্রীর কিছু গোপনীয় ছবি তুলেন এবং তা ইন্টারনেটে তুলে দেওয়ার হুমকি দেন। সেই সঙ্গে ছাত্রীকে নিয়মিত তার কাছে আসতে বলেন। এরপর ডাক্তার বিভিন্ন সময়ে ওই ছাত্রীর মা-বাবাকে ফোন করে জানান, আপনার মেয়ের মরণব্যাধি রোগ হয়েছে। তাকে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা নিতে হবে। এ ছাড়া ডাক্তার রিয়াদ সিদ্দিকী ওই ছাত্রীর মা-বাবাকে তাদের মেয়েকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন।
গত ৩০ ডিসেম্বর ওই ছাত্রীর মা-বাবাকে ফোন দিয়ে ডাক্তার রিয়াদ বলেন, আপনার মেয়ের চিকিৎসার জন্য বোর্ড বসানো হবে। পরের দিন ৩১ ডিসেম্বর ছাত্রীর মা-বাবা মেয়েকে নিয়ে সকালে ঢাকায় আসেন এবং বিএসএমএমইউ হাসপাতালে এসে পৌঁছান।
এরপর ডাক্তার রিয়াদকে ফোন দিলে ওইদিন সকাল ১০টায় মা-বাবা হাসপাতালের বটগাছের সামনে দেখা করেন এবং বোর্ড বসিয়ে ডাক্তার দেখানো হবে বলে ক্যান্টিনে অপেক্ষা করতে বলেন। ডাক্তার রিয়াদ ওই ছাত্রীকে হাসপাতালের বি ব্লকে এক নির্জন স্থানে নিয়ে যান এবং ধর্ষণ করার চেষ্টা করেন। ওই ছাত্রী কান্নাকাটি করে এবং একপর্যায়ে পালিয়ে যায়। পরে এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে চিকিৎসক রিয়াদ সিদ্দিকীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে।
Source File : http://bdexpress.uodoo.com

Saturday, 18 November 2017

মাটি কেটে ডাক্তার বানানো সেই মায়ের সন্তানের কৃতজ্ঞতাবোধ !

‘মাটি কেটে সন্তানকে ডাক্তার বানাচ্ছেন মা’ এমন একটি সংবাদ প্রকাশ হয় দেশের অন্যতম শীর্ষ অনলাইন নিউজপোর্টালে। এরপর দেশজুড়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ফলে সংবাদটি স্থান করে নেয় বিদেশেও। এরপর দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য হৃদয়বান ব্যক্তি লেখাপড়াসহ সার্বিক সহযোগিতার প্রস্তাব দেন মায়ের সেই সন্তানকে।
ওই নিউজের পরিপ্রেক্ষিতে অনেকে ফেসবুকে বিরূপ মন্তব্যও করেছিলেন। লিখেছিলেন, ‘মা যে সন্তানের জন্য এত কিছু করছে শেষ পর্যন্ত সন্তান মাকে দেখবে তো’। আরো অনেক মন্তব্য। তবে এসবের সাবলীল জবাব দিয়েছেন সন্তান রিপন বিশ্বাস।
যখন থেকেই গ্রীণলাইফে ভর্তি হয়েছেন কলেজের যেকোনো অনুষ্ঠান হলেই মাকে সবার সামনের আসনে বসান এবং কখনো নিজের পরিচয় দিতে কৃপণতা করেননি যে তিনি গরিব ঘরের সন্তান। গর্বের সঙ্গে তিনি তার মাকে পরিচয় করে দেন তার বন্ধুদের সঙ্গে।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর এতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন অনেক হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান। গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশ হয়েছে ভর্তির টাকা জোগাড় করতে পারছে না অনেক ছাত্রছাত্রীর পরিবার। এসব সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর এগিয়ে এসেছেন দেশের অসংখ্য হৃদয়বান। তারা আর্থিক সহযোগিতা করায় ভর্তির সুযোগ হয়েছে তাদের।
সাহায্যকারী এসব মানুষের কৃতজ্ঞতা কি মনে থাকবে হতদরিদ্র পরিবারের ওই সন্তানদের? নাকি পড়ালেখার ব্যবস্থায় ভুলে যাবেন তারা। সাধারণ মানুষের এসব উদারতা থেকে কি কোনো শিক্ষা নেবেন তারা? এমন প্রশ্ন জন্মতেই পারে যে কারো মনে।
এসব বিষয় নিয়ে কথা হয় মানিকগঞ্জের সেই মায়ের সন্তান রিপন বিশ্বাসের সঙ্গে। যিনি অসংখ্য মানুষের সহযোগিতায় রাজধানীর গ্রীণলাইফ হাসপাতালে ডাক্তারি পড়ছেন। মনে রেখেছেন ওইসব মানুষকে, যারা সাহায্য করেছেন তাকে। আর এজন্য প্রতিনিয়ত শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন ওই মানুষগুলো। সেই হৃদয়বান মানুষগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রিপন লিখেছেন, ‘তার গায়ের চামড়া দিয়ে তাদের জুতো বানিয়ে দিলেও ঋণ পরিশোধ হবে না।’
পাঠকের জন্য রিপন বিশ্বাসের সেই লেখাটি হুবহু প্রকাশ করা হলো।“আমি মো. রিপন বিশ্বাস। বর্তমানে আমি গ্রীণলাইফ মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। এই পর্যায়ে আসতে পারবো তা কখনো আমি কল্পনাও করিনি। কিন্তু ধৈর্য, সততা আর ভাগ্য আমাকে নিয়ে এসেছে। আমি অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান। কিন্তু পরিশ্রম আর ভাগ্য আমাকে আমার স্বপ্নের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে। এক সময় পড়াশুনার খরচ চালানোর জন্য অনেক মানুষের সাহায্য পেয়েছি। তারা আমার কাছে ভগবানতুল্য।
পাঁচ বছর বয়সে আমার বাবা মারা যান। তারপরও বাবার মতো আদর ভালোবাসা দিয়ে যিনি আমাকে সাহায্য করেছেন, তিনি আমার আদর্শ, যার ঋণ আমার গায়ের চামড়া দিয়ে জুতা বানিয়ে দিলেও শোধ করা সম্ভব নয়। তিনি হলেন প্রথম আলোর সাংবাদিক অরূপ রায়।
আমি পড়াশুনা সম্পর্কে যখন বুঝতে শিখেছি তখন আমার বয়স ছিল ১০ বছর। সবকিছু মিলিয়ে আমি অথৈ সমুদ্রে পড়ে গিয়েছিলাম। মেডিকেলে পড়া তো কখনো ভাবতেও পারিনি। আর তাই যারা মেডিকেলে পড়তে ইচ্ছুক তাদের সার্বিক নির্দেশনার জন্য নিজেই প্রতিষ্ঠা করেছি ‘আরবিসি একাডেমি’ যেখানে একজন মেডিকেল ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী তার সঠিক নির্দেশনা পাবে।
তাছাড়াও আমাকে আরো যারা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তাদের কথা আমি কোনো দিনও ভুলতে পারবো না। তাদের কাছে আমি চিরঋণী। তারা হলেন- অ্যাডভোকেট চাঁন মিয়া, প্রফেসর মাহফুজা খানম, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ (আইনমন্ত্রী), ডা. আ ফ ম রুহুল হক (স্বাস্থ্যমন্ত্রী) ও এ বি এম. আনোয়ারুল হক (সাবেক সংসদ সদস্য মানিকগঞ্জ-১), ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম (এডুকেশন ফর অল), মিসেস বি. দাস (জোবেদা রহমান স্টাইপেন্ড ফান্ড), অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক (জজকোর্ট মানিকগঞ্জ), সাখাওয়াত স্যার, লিপি ম্যাডাম (সাংবাদিক প্রথম আলো), বি.এম. খোরশেদ (সাংবাদিক জাগোনিউজ), আখতারুজ্জামান মাসুদ (ইউপি চেয়ারম্যান) ও রঞ্জিত সরকার, ডা. খালেদা বেগম (সভাপতি, বঙ্গবন্ধু মহিলা পরিষদ)। এছাড়াও আমার ভর্তির পরে মেডিকেল কলেজের শিক্ষকবৃন্দ ও বন্ধুবান্ধব।
এক সময় আমি সবার কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে আজ এ পর্যন্ত এসেছি। যারা আমাকে আমার স্বপ্ন পূরণের সময় সাহায্য করেছেন হয়তো তারা আমার কাছে বিনিময়ে কিছুই চায় না। কিন্তু তাদের আদর্শ বুকে নিয়ে আমি অন্য মানুষের পাশে দাঁড়াবো। সবকিছু ঠিক থাকলে পাস করার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আমার মায়ের নামে একটা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করবো। যেখান থেকে গরিব ও দুস্থ মানুষ বিনা পয়সায় সেবা পাবেন। পূরণ হবে মায়ের স্বপ্ন।”-জাগো নিউজ

Tuesday, 31 October 2017

শাকিব খানের কত বছরের জেল হতে পারে?

 সম্প্রতি ‘রাজনীতি’ সিনেমায় নায়ক শাকিব খান একটি ফোন নম্বর ব্যবহার করেন। এরপর শুরু হয় সেই নম্বরের মালিক হবিগঞ্জের রাজমিস্ত্রি ইজাজুল মিয়ার কাছে একের পর এক ফোনকল আসা। ফোন দিয়ে সবাই শাকিব খানের সঙ্গে কথা বলতে চান।

এদিকে, মাসের পর মাস ধরে শাকিব খান মনে করে তার কাছে ফোনকল আসতে থাকায় তার ব্যক্তিগত জীবনে তা প্রচণ্ডভাবে প্রভাব ফেলে। তাই কোনো উপায় না পেয়ে গত ২৯ অক্টোবর শকিবসহ ‘রাজনীতি’ ছবির পরিচালক বুলবুল বিশ্বাস ও প্রযোজক আশফাক আহমেদের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জে মামলা করেন ওই রাজমিস্ত্রি।
এ বিষয়ে মামলার আইনজীবীরা বলছেন, বিনা অনুমতিতে শাকিব খানের সিনেমায় একজন অটোরিকশাচালকের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা নৈতিকতা বিবর্জিত এবং সেই ব্যক্তি যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেন তাহলে তার ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার রয়েছে। আইনজীবীরা বলছেন,অভিযোগ প্রমাণ হলে শাস্তি সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড হতে পারে এ কাজে সংশ্লিষ্টদের।
মামলার আইনজীবী এম এ মজিদ একটি অনলাইনকে বলেন, ২০১৪ সাল থেকে ইজাজুল এই নম্বরটি ব্যবহার করছেন। সেটি বিনা অনুমতিতে একটি সিনেমায় ব্যবহার করে আমার মক্কেলের অনেক ক্ষতি করা হয়েছে। একদিকে তার আয় রোজগার ব্যাহত হয়েছে আরেকদিকে,পারিবারিক হয়রানির শিকার হয়েছেন তিনি। ফলে প্রতারণা ও মানহানি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এটি যদি এই উপমহাদেশের বাইরের কোনও ঘটনা হতো তাহলে বিনা অনুমতিতে একজনের ব্যক্তিগত নম্বর ব্যবহার করার অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তিই তাকে পেতে হতো। আমরা আশা করবো ন্যায়বিচার পাবো।
ব্যক্তিগত ফোন নম্বর ব্যবহার করায় ইজাজুলের কী ধরনের ক্ষতি হয়েছে এবং এমন প্রমাণ হলে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে প্রশ্নে এই আইনজীবী অনলাইনটির প্রতিবেদককে বলেন,এ মামলায় প্রতারণার অভিযোগে সর্বোচ্চ তিন বছর ও মানহানিতে সর্বোচ্চ দুইবছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যদি মামলার রায় আমাদের পক্ষে আসে তখন আমরা আর্থিক ক্ষতির জন্য আবারও আরেকটি মামলা করতে পারবো। এটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া।
উল্লেখ্য, বিনা অনুমতিতে অন্যের ব্যক্তিগত কোনও তথ্যই অপর কেউ ব্যবহারের অনুমতি রাখেন না। মোবাইল টেলিফোন, ব্যাংকের চেক, বইয়ের লেখক হিসেবে নাম থেকে শুরু করে বাড়ির ঠিকানা―এর কোনটি যদি নাটক সিনেমা বা অন্য কোনও মাধ্যমে ব্যবহার করতে হয় তাহলে মালিকের অনুমতি অবশ্যই নিতে হবে।



Source File : http://bdexpress.uodoo.com/detail/1510193125573272

Friday, 13 October 2017

'ব্লু হোয়েল গেম' থেকে বিরত থাকতে করণীয় || ব্লু হোয়েল গেম কি

অবসরে স্মার্টফোনে গেম খেলার পরিণতি এতটা ভয়ানক হতে পারে কদিন আগেও কে ভেবেছিল তা?  কিন্তু এখন ভাবতে হচ্ছে তা। সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে আতংকের নাম হয়ে দাঁড়ানো ‘ব্লু হোয়েল’ গেম কেড়ে নিয়েছে অনেক তরুণ প্রাণ।

এর পরপরই মানুষ অনুধাবন করছে আপাত সাধারণ অনলাইন ভিত্তিক একটি গেমও কতটা মারাত্মক হতে পারে। আতঙ্কের পুরো নাম ‘ব্লু হোয়েল সুইসাইড গেম’। যেখানে একজনকে অতি সহজে বোকা বানিয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায় গেমটির এ্যাডমিন। গেমটি খেলতে খেলতে ব্যবহারকারীরা এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ছে যে এক সময় আত্মহত্যা করতেও হৃদয় কাঁপছে না তাদের।
পশ্চিমা ও ইউরোপীয় দেশগুলো ইতোমধ্যে এই গেমটির বিপক্ষে স্কুল কলেজসহ বিভিন্ন জায়গায় প্রচারণা চালাচ্ছে। তরুণ-তরুণীদের এ গেম খেলা থেকে বিরত রাখার জন্য রীতিমত চিন্তিত হয়ে পড়েছেন সেসব দেশের বিশেষজ্ঞরা।