Showing posts with label bd news. Show all posts
Showing posts with label bd news. Show all posts

Monday, 15 January 2018

আকাশে তিনরঙা চাঁদ! ৩১ জানুয়ারি | ডেইলি সান


চন্দ্রগ্রহণের দিন এক সরলরেখায় আসে সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী। সূর্য আর চাঁদের মাঝে থাকে পৃথিবী। পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়ায় ঢাকা পড়ে যায় গোটা চাঁদ। পৃথিবী থেকে আর দেখা যায় না চাঁদকে। পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের সময় সূর্যের আলো বাধা পায় পৃথিবীতে। ফলে তা চাঁদ পর্যন্ত এসে পৌঁছায় না। তখনই হয় পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ। আর এই এক রাতেই এবার আকাশে তিন রঙের চাঁদ দেখা যাবে। একসাথে দেখা যাবে ব্লু মুন, সুপারমুন এবং ব্লাড মুন। ১৫১ বছর অন্তর ঘটে এমন ঘটনা। আর বিরল ঘটনাটি ঘটবে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি।

জানা গেছে, ৩১ জানুয়ারি হবে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ। কিন্তু সেদিন গ্রহণ ছাড়াও দেখা যাবে অভাবনীয় কিছু দৃশ্য। নাসা চাঁদের এই দুর্লভ রূপ বদলের নাম দিয়েছে সুপার ব্লু ব্লাড মুন। পূর্ণিমার চাঁদ যত বড় হয় তার থেকে ৭ শতাংশ বেশি বড় দেখাবে সেদিনের চাঁদকে। অন্যান্য পূর্ণিমার চাঁদের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি উজ্জ্বলও হবে ওই সুপারমুন। এরপর যেটা লক্ষ্য করা যাবে তা হল, উজ্জ্বল এই সুপারমুনের রং হবে নীল। অর্থাৎ সুপারমুন হবে ব্লু মুন। তারপর দেখা যাবে ব্লাড মুন।

পৃথিবী চাঁদের তুলনায় বড় হওয়ায় গোটা চাঁদ পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকা পড়ে যায়। শুধু লাল অংশ চাঁদে গিয়ে পড়ে। তখন চাঁদকে লালচে রঙের দেখতে লাগে। যাকে বলা হয় ব্লাড মুন। তবে সুপারমুন ও ব্লু মুন প্রায় সব জায়গা থেকে দেখা যাবে। ব্লাড মুন সবথেকে ভালো দেখা যাবে নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার কিছু অংশ এবং সেন্ট্রাল ও ইস্টার্ন এশিয়ার দেশগুলোতে। তবে আফ্রিকা এবং যুক্তরাষ্ট্রের এই বিরল দৃশ্য বেশিরভাগ জায়গাতেই দেখা যাবে না।

Tuesday, 9 January 2018

আমি ডাক্তার, আমার কাজ এগুলা করা; জোড় করে বিবস্ত্র করে….


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের চিকিৎসক রিয়াদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রী (১৭)।
গত সোমবার রাজধানীর শাহবাগ থানায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমনের সাধারণ নিবন্ধন শাখায় (জিআর) এই মামলার এজাহার আসে। এমন খবর দিয়েছে এনটিভি অনলাইন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, কিশোরী ওই ছাত্রীর বাড়ি ভোলা জেলায়। সে চর্মরোগে আক্রান্ত ছিল। গত বছরের ৬ অক্টোবর ভোলার যমুনা মেডিকেল সার্ভিসেসে ডাক্তার রিয়াদ সিদ্দিকীর কাছে ওই ছাত্রী তার চর্মরোগের সমস্যা নিয়ে পরামর্শ নিতে যায়। বিএসএমএমইউর ডাক্তার হলেও রিয়াদ সিদ্দিকী প্রতি শুক্রবার ভোলায় রোগী দেখতেন। ডাক্তার রিয়াদ প্রথম সাক্ষাতের সময় ওই কিশোরীকে বিবস্ত্র করে শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে মলম লাগিয়ে দেন। এ বিষয়ে কিশোরী প্রতিবাদ করলে ডাক্তার রিয়াদ বলেন, ‘আমি তোমার ডাক্তার। আমার কাজ এগুলা করা, আমি এগুলো করব।’ এ বলে ওই চিকিৎসক ছাত্রীর সব স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেন এবং কাউকে কিছু বলতে বারণ করেন। এরপর ছাত্রী লজ্জায় কাউকে কিছু বলেনি।
এরপর গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর ওই ছাত্রী পুনরায় চিকিৎসা করাতে ডাক্তার রিয়াদের কাছে যায়। ওই দিন ডাক্তার রিয়াদ আবার জোড় করে বিবস্ত্র করেন এবং যৌন কাজে লিপ্ত হন। ওই ছাত্রী তখন চিৎকার করলে ডাক্তার ওড়না দিয়ে তার মুখ বেঁধে ফেলেন। ছাত্রীকে বিষাক্ত ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর ডাক্তার রিয়াদ ওই ছাত্রীর কিছু গোপনীয় ছবি তুলেন এবং তা ইন্টারনেটে তুলে দেওয়ার হুমকি দেন। সেই সঙ্গে ছাত্রীকে নিয়মিত তার কাছে আসতে বলেন। এরপর ডাক্তার বিভিন্ন সময়ে ওই ছাত্রীর মা-বাবাকে ফোন করে জানান, আপনার মেয়ের মরণব্যাধি রোগ হয়েছে। তাকে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা নিতে হবে। এ ছাড়া ডাক্তার রিয়াদ সিদ্দিকী ওই ছাত্রীর মা-বাবাকে তাদের মেয়েকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন।
গত ৩০ ডিসেম্বর ওই ছাত্রীর মা-বাবাকে ফোন দিয়ে ডাক্তার রিয়াদ বলেন, আপনার মেয়ের চিকিৎসার জন্য বোর্ড বসানো হবে। পরের দিন ৩১ ডিসেম্বর ছাত্রীর মা-বাবা মেয়েকে নিয়ে সকালে ঢাকায় আসেন এবং বিএসএমএমইউ হাসপাতালে এসে পৌঁছান।
এরপর ডাক্তার রিয়াদকে ফোন দিলে ওইদিন সকাল ১০টায় মা-বাবা হাসপাতালের বটগাছের সামনে দেখা করেন এবং বোর্ড বসিয়ে ডাক্তার দেখানো হবে বলে ক্যান্টিনে অপেক্ষা করতে বলেন। ডাক্তার রিয়াদ ওই ছাত্রীকে হাসপাতালের বি ব্লকে এক নির্জন স্থানে নিয়ে যান এবং ধর্ষণ করার চেষ্টা করেন। ওই ছাত্রী কান্নাকাটি করে এবং একপর্যায়ে পালিয়ে যায়। পরে এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে চিকিৎসক রিয়াদ সিদ্দিকীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে।
Source File : http://bdexpress.uodoo.com

Saturday, 18 November 2017

মাটি কেটে ডাক্তার বানানো সেই মায়ের সন্তানের কৃতজ্ঞতাবোধ !

‘মাটি কেটে সন্তানকে ডাক্তার বানাচ্ছেন মা’ এমন একটি সংবাদ প্রকাশ হয় দেশের অন্যতম শীর্ষ অনলাইন নিউজপোর্টালে। এরপর দেশজুড়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ফলে সংবাদটি স্থান করে নেয় বিদেশেও। এরপর দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য হৃদয়বান ব্যক্তি লেখাপড়াসহ সার্বিক সহযোগিতার প্রস্তাব দেন মায়ের সেই সন্তানকে।
ওই নিউজের পরিপ্রেক্ষিতে অনেকে ফেসবুকে বিরূপ মন্তব্যও করেছিলেন। লিখেছিলেন, ‘মা যে সন্তানের জন্য এত কিছু করছে শেষ পর্যন্ত সন্তান মাকে দেখবে তো’। আরো অনেক মন্তব্য। তবে এসবের সাবলীল জবাব দিয়েছেন সন্তান রিপন বিশ্বাস।
যখন থেকেই গ্রীণলাইফে ভর্তি হয়েছেন কলেজের যেকোনো অনুষ্ঠান হলেই মাকে সবার সামনের আসনে বসান এবং কখনো নিজের পরিচয় দিতে কৃপণতা করেননি যে তিনি গরিব ঘরের সন্তান। গর্বের সঙ্গে তিনি তার মাকে পরিচয় করে দেন তার বন্ধুদের সঙ্গে।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর এতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন অনেক হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান। গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশ হয়েছে ভর্তির টাকা জোগাড় করতে পারছে না অনেক ছাত্রছাত্রীর পরিবার। এসব সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর এগিয়ে এসেছেন দেশের অসংখ্য হৃদয়বান। তারা আর্থিক সহযোগিতা করায় ভর্তির সুযোগ হয়েছে তাদের।
সাহায্যকারী এসব মানুষের কৃতজ্ঞতা কি মনে থাকবে হতদরিদ্র পরিবারের ওই সন্তানদের? নাকি পড়ালেখার ব্যবস্থায় ভুলে যাবেন তারা। সাধারণ মানুষের এসব উদারতা থেকে কি কোনো শিক্ষা নেবেন তারা? এমন প্রশ্ন জন্মতেই পারে যে কারো মনে।
এসব বিষয় নিয়ে কথা হয় মানিকগঞ্জের সেই মায়ের সন্তান রিপন বিশ্বাসের সঙ্গে। যিনি অসংখ্য মানুষের সহযোগিতায় রাজধানীর গ্রীণলাইফ হাসপাতালে ডাক্তারি পড়ছেন। মনে রেখেছেন ওইসব মানুষকে, যারা সাহায্য করেছেন তাকে। আর এজন্য প্রতিনিয়ত শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন ওই মানুষগুলো। সেই হৃদয়বান মানুষগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রিপন লিখেছেন, ‘তার গায়ের চামড়া দিয়ে তাদের জুতো বানিয়ে দিলেও ঋণ পরিশোধ হবে না।’
পাঠকের জন্য রিপন বিশ্বাসের সেই লেখাটি হুবহু প্রকাশ করা হলো।“আমি মো. রিপন বিশ্বাস। বর্তমানে আমি গ্রীণলাইফ মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। এই পর্যায়ে আসতে পারবো তা কখনো আমি কল্পনাও করিনি। কিন্তু ধৈর্য, সততা আর ভাগ্য আমাকে নিয়ে এসেছে। আমি অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান। কিন্তু পরিশ্রম আর ভাগ্য আমাকে আমার স্বপ্নের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে। এক সময় পড়াশুনার খরচ চালানোর জন্য অনেক মানুষের সাহায্য পেয়েছি। তারা আমার কাছে ভগবানতুল্য।
পাঁচ বছর বয়সে আমার বাবা মারা যান। তারপরও বাবার মতো আদর ভালোবাসা দিয়ে যিনি আমাকে সাহায্য করেছেন, তিনি আমার আদর্শ, যার ঋণ আমার গায়ের চামড়া দিয়ে জুতা বানিয়ে দিলেও শোধ করা সম্ভব নয়। তিনি হলেন প্রথম আলোর সাংবাদিক অরূপ রায়।
আমি পড়াশুনা সম্পর্কে যখন বুঝতে শিখেছি তখন আমার বয়স ছিল ১০ বছর। সবকিছু মিলিয়ে আমি অথৈ সমুদ্রে পড়ে গিয়েছিলাম। মেডিকেলে পড়া তো কখনো ভাবতেও পারিনি। আর তাই যারা মেডিকেলে পড়তে ইচ্ছুক তাদের সার্বিক নির্দেশনার জন্য নিজেই প্রতিষ্ঠা করেছি ‘আরবিসি একাডেমি’ যেখানে একজন মেডিকেল ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী তার সঠিক নির্দেশনা পাবে।
তাছাড়াও আমাকে আরো যারা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তাদের কথা আমি কোনো দিনও ভুলতে পারবো না। তাদের কাছে আমি চিরঋণী। তারা হলেন- অ্যাডভোকেট চাঁন মিয়া, প্রফেসর মাহফুজা খানম, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ (আইনমন্ত্রী), ডা. আ ফ ম রুহুল হক (স্বাস্থ্যমন্ত্রী) ও এ বি এম. আনোয়ারুল হক (সাবেক সংসদ সদস্য মানিকগঞ্জ-১), ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম (এডুকেশন ফর অল), মিসেস বি. দাস (জোবেদা রহমান স্টাইপেন্ড ফান্ড), অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক (জজকোর্ট মানিকগঞ্জ), সাখাওয়াত স্যার, লিপি ম্যাডাম (সাংবাদিক প্রথম আলো), বি.এম. খোরশেদ (সাংবাদিক জাগোনিউজ), আখতারুজ্জামান মাসুদ (ইউপি চেয়ারম্যান) ও রঞ্জিত সরকার, ডা. খালেদা বেগম (সভাপতি, বঙ্গবন্ধু মহিলা পরিষদ)। এছাড়াও আমার ভর্তির পরে মেডিকেল কলেজের শিক্ষকবৃন্দ ও বন্ধুবান্ধব।
এক সময় আমি সবার কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে আজ এ পর্যন্ত এসেছি। যারা আমাকে আমার স্বপ্ন পূরণের সময় সাহায্য করেছেন হয়তো তারা আমার কাছে বিনিময়ে কিছুই চায় না। কিন্তু তাদের আদর্শ বুকে নিয়ে আমি অন্য মানুষের পাশে দাঁড়াবো। সবকিছু ঠিক থাকলে পাস করার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আমার মায়ের নামে একটা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করবো। যেখান থেকে গরিব ও দুস্থ মানুষ বিনা পয়সায় সেবা পাবেন। পূরণ হবে মায়ের স্বপ্ন।”-জাগো নিউজ

Thursday, 2 November 2017

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ

নিউজ ডেস্ক : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিগগিরই ২৬ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। ইতোমধ্যে শিক্ষক নিয়োগে নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। আগামী তিন মাস পরে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে জাতীয়করণের দুটি ধাপে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। তৃতীয় ধাপে শিক্ষকদের গেজেট প্রকাশের কাজ শেষ পর্যায়ে। নভেম্বরে তা প্রকাশ করা হবে। এ ধাপে বিভিন্ন জেলার ৫৭০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চারজন করে শিক্ষক রয়েছেন। তৃতীয় ধাপের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইউএনডিপির আওতাভুক্ত তিন পার্বত্য জেলার ৩১০ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও। গত ২৯ এপ্রিল তৃতীয় ধাপের খসড়া গেজেট প্রকাশ করা হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এফ এম মনজুর কাদির বলেন, সম্প্রতি জাতীয়করণকৃত ২৬ হাজার ১৯৩টি বিদ্যালয়ে চারজন শিক্ষকের পদ রয়েছে। নতুন আরও একজন করে সহকারী শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। প্রতিটি স্কুলে একজন করে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। তিনি বলেন, প্রাক-প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতার মান বাড়াতে জাতীয়করণকৃত স্কুলগুলোতে চার থেকে পাঁচজন শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এসব পদে নতুনভাবে নিয়োগ দেয়া হবে। দ্রুতই এ নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. রমজান আলী বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়ে সৃষ্ট পদের তালিকা চূড়ান্ত করেছে। শিক্ষক তালিকা তৈরি করতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সেটি আমাদের কাছে পাঠিয়েছে। আমরা তালিকা তৈরির কাজ শেষ করেছি। আগামী সপ্তাহে সে তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এফ এম মনজুর কাদির বলেন, অধিদফতর থেকে শিক্ষকদের তালিকা আসলে আমরা তা আবারও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেব। সেখান থেকে পাস হলে অর্থ ছাড়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই ২৬ হাজার ১৯৫ স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে সরকার ২৬ হাজার ১৯৩টি বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষণা দেয়। এসব বিদ্যালয়ে ১ লাখ ৩৮৪৫ শিক্ষকের চাকরি তিন ধাপে জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত হয়। এর মধ্যে প্রথম ধাপের শিক্ষকদের চাকরি ২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে, দ্বিতীয় ধাপের ২০১৩ সালের জুলাই থেকে এবং তৃতীয় ধাপের শিক্ষকদের চাকরি ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এমটিনিউজ২৪.কম/টিটি/পিএস

Wednesday, 1 November 2017

খালি পেটে হাঁটবেন, নাকি কিছু খেয়ে?


সকালবেলা খালি পেটে ব্যায়াম করা বা হাঁটার অভ্যাস বেশির ভাগ মানুষের। আবার অনেকে সকালে হাঁটতে যাওয়ার আগে হালকা কিছু খেয়ে নেন।

আমরা যখন খালি পেটে থাকি তখন শরীরে কাজ চালানোর মতো প্রয়োজনীয় গ্লুকোজ বা শর্করার চাহিদা মেটায় যকৃৎ বা লিভার। যকৃতে গ্লুকোজের জমিয়ে রাখা ভান্ডার থেকে আসে এই শর্করা। তবে এর বেশির ভাগটাই তখন কাজে লাগে মস্তিষ্ক, কিডনি, রক্তকোষ ইত্যাদি জরুরি অঙ্গের জন্য। এ অবস্থায় ব্যায়াম শুরু করলে পেশিতে গ্লুকোজের চাহিদা বেড়ে যায়, পরে যকৃৎকে আরও বেশি করে গ্লুকোজ সরবরাহ করতে হয়। খালি পেটে ব্যায়াম করলে বাড়তি শক্তি জোগাতে শরীরের চর্বি বেশি বেশি ভাঙবে, এ ধারণা কিন্তু ভুল। কেননা, যকৃতের ভান্ডার শেষ হওয়ার পরই কেবল চর্বি ভাঙতে শুরু করে। আবার ডায়াবেটিসের রোগীদের যকৃৎ থেকে গ্লুকোজ সরবরাহের প্রক্রিয়া প্রায়ই সমস্যাযুক্ত থাকে এবং না খেয়ে বেশি ব্যায়াম করলে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি থাকে। উল্টো দিকে খাওয়া-দাওয়া করে ব্যায়াম করলে খাদ্যনালির ভালব দুর্বল হয়ে খাবার ওপরে উঠে আসতে পারে, বমি হতে পারে, গলা জ্বলে। এ সময় রক্ত সরবরাহ পাকস্থলী ও অন্ত্রের দিকে ধাবিত হয় বলে পেশিতে শক্তি কম পাওয়া যায়, অবসন্ন লাগে। গবেষকেরা বলছেন, খালি পেটে না ব্যায়াম করে হালকা ও জটিল শর্করাযুক্ত সামান্য খাবার খেয়ে নেওয়া ভালো।

 কী খাওয়া যায়?

শুকনো শর্করা (যেমন: মুড়ি বা চিড়া), দুধবিহীন সিরিয়াল, আপেল, এক টুকরো ব্রাউন ব্রেড ইত্যাদি

 কী খাওয়া উচিত নয়?

দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার, ক্যাফেইনযুক্ত খাবার, মিষ্টিজাতীয় কিছু বা সহজ শর্করা, টক ফলমূল।

Tuesday, 31 October 2017

শাকিব খানের কত বছরের জেল হতে পারে?

 সম্প্রতি ‘রাজনীতি’ সিনেমায় নায়ক শাকিব খান একটি ফোন নম্বর ব্যবহার করেন। এরপর শুরু হয় সেই নম্বরের মালিক হবিগঞ্জের রাজমিস্ত্রি ইজাজুল মিয়ার কাছে একের পর এক ফোনকল আসা। ফোন দিয়ে সবাই শাকিব খানের সঙ্গে কথা বলতে চান।

এদিকে, মাসের পর মাস ধরে শাকিব খান মনে করে তার কাছে ফোনকল আসতে থাকায় তার ব্যক্তিগত জীবনে তা প্রচণ্ডভাবে প্রভাব ফেলে। তাই কোনো উপায় না পেয়ে গত ২৯ অক্টোবর শকিবসহ ‘রাজনীতি’ ছবির পরিচালক বুলবুল বিশ্বাস ও প্রযোজক আশফাক আহমেদের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জে মামলা করেন ওই রাজমিস্ত্রি।
এ বিষয়ে মামলার আইনজীবীরা বলছেন, বিনা অনুমতিতে শাকিব খানের সিনেমায় একজন অটোরিকশাচালকের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা নৈতিকতা বিবর্জিত এবং সেই ব্যক্তি যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেন তাহলে তার ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার রয়েছে। আইনজীবীরা বলছেন,অভিযোগ প্রমাণ হলে শাস্তি সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড হতে পারে এ কাজে সংশ্লিষ্টদের।
মামলার আইনজীবী এম এ মজিদ একটি অনলাইনকে বলেন, ২০১৪ সাল থেকে ইজাজুল এই নম্বরটি ব্যবহার করছেন। সেটি বিনা অনুমতিতে একটি সিনেমায় ব্যবহার করে আমার মক্কেলের অনেক ক্ষতি করা হয়েছে। একদিকে তার আয় রোজগার ব্যাহত হয়েছে আরেকদিকে,পারিবারিক হয়রানির শিকার হয়েছেন তিনি। ফলে প্রতারণা ও মানহানি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এটি যদি এই উপমহাদেশের বাইরের কোনও ঘটনা হতো তাহলে বিনা অনুমতিতে একজনের ব্যক্তিগত নম্বর ব্যবহার করার অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তিই তাকে পেতে হতো। আমরা আশা করবো ন্যায়বিচার পাবো।
ব্যক্তিগত ফোন নম্বর ব্যবহার করায় ইজাজুলের কী ধরনের ক্ষতি হয়েছে এবং এমন প্রমাণ হলে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে প্রশ্নে এই আইনজীবী অনলাইনটির প্রতিবেদককে বলেন,এ মামলায় প্রতারণার অভিযোগে সর্বোচ্চ তিন বছর ও মানহানিতে সর্বোচ্চ দুইবছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যদি মামলার রায় আমাদের পক্ষে আসে তখন আমরা আর্থিক ক্ষতির জন্য আবারও আরেকটি মামলা করতে পারবো। এটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া।
উল্লেখ্য, বিনা অনুমতিতে অন্যের ব্যক্তিগত কোনও তথ্যই অপর কেউ ব্যবহারের অনুমতি রাখেন না। মোবাইল টেলিফোন, ব্যাংকের চেক, বইয়ের লেখক হিসেবে নাম থেকে শুরু করে বাড়ির ঠিকানা―এর কোনটি যদি নাটক সিনেমা বা অন্য কোনও মাধ্যমে ব্যবহার করতে হয় তাহলে মালিকের অনুমতি অবশ্যই নিতে হবে।



Source File : http://bdexpress.uodoo.com/detail/1510193125573272

Monday, 30 October 2017

প্রতি রাতেই নগ্ন হতে হয় : কোয়েল মল্লিক

প্রতি রাতেই টলিপাড়ার সুন্দরীদের ‘পোশাক’ খুলতে হয়৷ বিস্ফোরক এই মন্তব্য করে টলিগঞ্জে আলোড়ন ফেলে দিলেন রঞ্জিত-কন্যা অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক৷ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই বিস্ফোরক মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘প্রতি রাতেই আমাদের নগ্ন হতে হয়৷’ তাঁর এই কথার পরেই রীতিমতো হইচই পড়েছে রুপোলি জগতে৷

এদিনের সাক্ষাৎকারে নানা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন সাংবাদিকরা৷ তারই সুত্র ধরে সাংবাদিকরা জানতে চান, টলি অভিনেত্রী স্বস্তিকার সঙ্গে তাঁ সম্পর্ক কেমন? এর উত্তর দিতে গিয়েই কোয়েল বলেন, ‘আমার সঙ্গে ওঁর (স্বস্তিকা) সম্পর্ক কখনও খারাপ ছিল না৷ তবে কিছু সমস্যা হয়েছিল৷ সেটা সাময়িক? এখন তা এক্কেবারে স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে৷’

তিনি আবার স্বস্তিকার সঙ্গে অভিনয় করতে চান কি না? জানতে চাইলে টলিপাড়ার এই অভিনেত্রী বলেন, ‘ভালো কাজ থাকলে অবশ্যই করব৷ স্বস্তিকা খুবই সাহসী অভিনেত্রী৷ অনেক খোলামেলা৷ অভিনয়েও পারদর্শী৷ তবে, আমি অতটা করে উঠতে পারিনি৷ নতুন ভালো কিছু অফার পেলে অবশ্যই করব।’
এর পরই বিস্ফোরক মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘দেখুন প্রতিদিনই আমাদের নগ্ন হতে হয়৷ এতে লুকোচুরির কিছু নেই৷ তবে, আমাদের তো অভিনয়েই সব৷ সুতরাং অভিনয়ের জন্য নগ্নতাকে সামনে আনতেও কোনও অসুবিধা নেই৷’

Sunday, 29 October 2017

উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন কত হওয়া উচিত


উচ্চতা অনুযায়ী আপনার সঠিক ওজন কত, কতটুকু কম হলে আপনার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ- ওজন নিয়ে আমাদের সকলের মাথা ব্যথা। ওজন বাড়লেও সমস্যা আবার ওজন কম হলেও সমস্যা। চিকিৎসকরাও গুরুত্ব দেন ওজনের ওপরে।
মোটা রোগার থেকে শরীর সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল সঠিক ওজন। আমরা না জেনেই শারীরিক গঠন রোগা না মোটা সেই অনুযায়ী ওজন বাড়ানোর বা কমানোর চেষ্টা করি। আর তাতেই সমস্যা হয় শরীরে।
তাই আমাদের জেনে রাখা দরকার কোন শারীরিক উচ্চতায় কোন ওজন সঠিক? আদর্শ ওজন নির্ণয়ের পদ্ধতিতে একজন ব্যক্তির ওজন কিলোগ্রামে মাপা হয় এবং উচ্চতা মিটারে মাপা হয়।
এবার ওজনকে উচ্চতার বর্গফল দিয়ে ভাগ করা হয়। এই ভাগফলকে বলে বিএমআই। বিএমআই ১৮ থেকে ২৪-এর মধ্যে হলে স্বাভাবিক।
২৫ থেকে ৩০-এর মধ্যে হলে স্বাস্থ্যবান বা অল্প মোটা, ৩০ থেকে ৩৫-এর মধ্যে হলে বেশি মোটা। আর ৩৫-এর ওপরে হলে অত্যন্ত ও অসুস্থ পর্যায়ের মোটা বলা যেতে পারে।
তাহলে জেনে নিন আপনার ওজন আপনার উচ্চতা অনুযায়ী সঠিক তো?
উচ্চতা ——পুরুষ (কেজি) —- নারী (কেজি)
►৪’৭” —— ৩৯-৪৯ —– ৩৬-৪৬
►৪’৮” —— ৪১-৫০ —– ৩৮-৪৮
►৪’৯” —— ৪২-৫২ —– ৩৯–৫০
►৪’১০” —— ৪৪-৫৪ —– ৪১–৫২
►৪’১১” —— ৪৫-৫৬ —– ৪২-৫৩
►৫ফিট —— ৪৭-৫৮ —– ৪৩-৫৫
►৫’১” —— ৪৮-৬০ —– ৪৫-৫৭
►৫’২” —— ৫০-৬২ —– ৪৬-৫৯
►৫’৩” —— ৫১-৬৪ —– ৪৮-৬১
►৫’৪” —— ৫৩-৬৬ —– ৪৯-৬৩
►৫’৫” —— ৫৫-৬৮ —– ৫১-৬৫
►৫’৬” —— ৫৬-৭০ —– ৫৩-৬৭
►৫’৭” —— ৫৮-৭২ —– ৫৪-৬৯
► ৫’৮” —— ৬০-৭৪ —– ৫৬-৭১
► ৫’৯” —— ৬২-৭৬ —– ৫৭-৭১
►৫’১০” —— ৬৪-৭৯ —– ৫৯-৭৫
►৫’১১” —— ৬৫-৮১ —– ৬১-৭৭
►৬ ফিট —— ৬৭-৮৩ —– ৬৩-৮০
►৬’১” —— ৬৯-৮৬ —– ৬৫-৮২
►৬’২” —— ৭১-৮৮ —– ৬৭-৮৪

Wednesday, 20 September 2017

অবশেষে অসহায় সেই বৃদ্ধা মাকে নিয়ে মুখ খুললেন স্কুলশিক্ষিকা কন্যা!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই খবর মূহুর্তেই ছড়িয়ে পড়লে সাধারন জনতাকে ওই বৃদ্ধের সন্তানদের উদ্দেশ্যে ধিক্কার দিয়ে মন্তব্য করতে দেখা গেছে।  বিশেষ করে এই ঘটনায় বেশিমাত্রায় প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন তারই গর্ভে ধারণ করা তিন পুলিশ ছেলে ও স্কুল শিক্ষিকা মেয়ে।  

পত্রপত্রিকার কল্যাণে বিষয়টিতেআলোড়ন সৃষ্টি হওয়ায় ওই মায়ের সন্তান এখন কর্মস্থলে নানা প্রশ্নে সম্মুখীন হতে হচ্ছে।  কারণ, ইতোমধ্যে পুলিশ তিন ছেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি ঘোষণা দিয়েছে বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম।  

এই পুলিশ কর্মকর্তা মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই বৃদ্ধকে দেখতে যান এবং বৃদ্ধ মায়ের দায়িত্ব নেয়ার বিষয়টি সাংবাদিকদের অবহিত করেছেন।  

এছাড়া বৃদ্ধ মাকে অবহেলার কারণে আরেক সন্তান মেয়ে বাবুগঞ্জের পূর্ব ভুতেরদীয় নবারুন সরকাররি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মরিয়ম সুলতানাকে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।  

সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা অফিসার কেএম তোফাজ্জল হোসেন সোমবার তাকে এই বিষয়ে শোকজ করেছেন।  

এ অবস্থায় স্কুল শিক্ষিকা বলেন, স্কুলের বেতন ব্যতীত তার আর কোন ইনকাম নেই।  ফলে স্বামীর সংসারে বসে তিনি বৃদ্ধ মায়ের তেমন একটা খরচ বহন করতে পারছেন না।  

যদিও এই শিক্ষিকা এর আগে গত শনিবার তার মাকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেছিলেন- নিজের সংসার পরিচালনা করে আর সময় হয় না।  যে কারণে বৃদ্ধ মায়ের খোঁজখবর নিতে পারেননি।  

একজন মানুষ গড়ার কারিগরের মুখে এমন কথা শুনে খোদ পুলিশ প্রশাসনকেও হতবাক করেছিলো।  এমতাবস্থায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে খবর নিয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে ওই শিক্ষিকার বেতন ২০ হাজারের ওপরে।  

ফলে এই বিষয়টি স্থানীয় সংসদ অ্যাডভোকেট শেখ মো. টিপু সুলতানকে খুব বেশি মর্মাহত করেছে।  যে কারণে তিনি পুলিশের সহযোগিতায় ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছেন।  এমনকি তিনি নিজেই সার্বিক দায়ভার নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।  

এছাড়াও অনেকে রাজনীতিবীদ, সমাজসেবক ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ওই বৃদ্ধ নারীর দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।  

বাবুগঞ্জে কর্মরত ইত্তেফাক পত্রিকার প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ওই বৃদ্ধ উপজেলার ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের মৃত আইয়ুব আলী সরদারের স্ত্রী।  

আইয়ুব আলী কৃষক পরিবারের সন্তান হলেও নানা অভাব অনাটনের সংসারে ছয় সন্তান নিয়ে ভালোভাবেই দিন কেটেছে তাদের।  

আইয়ুব আলী-মনোয়ারা দম্পতির ছয় সন্তানের মধ্যে তিন ছেলে- ফারুক হোসেন, নেছার এবং জসীম উদ্দিন পুলিশে কর্মরত রয়েছেন।  মেয়ে মরিয়ম সুলতানা শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত।  অন্য দুই সন্তান শাহাবউদ্দিন ব্যবসা এবং গিয়াস উদ্দিন নিজের ব্যবহৃত ইজিবাইক ভাড়ায় চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।