Monday, 30 October 2017

৪ হাজার টাকা বেতনেই কোটিপতি জামান

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) ইলেকট্রিশিয়ান সহযোগী হিসেবে ১৯৮৭ সালের ১২ মার্চ চাকরি শুরু করেন এ এস এম হোসাইনুর জামান। বেতন স্কেল ছিল ৯৬৫ টাকা। চতুর্থ শ্রেণির পদ থেকে দুই দফায় পদোন্নতি পেয়ে এখন চার হাজার ৭০০ টাকা বেতন স্কেলে পিডিবির ভাণ্ডাররক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। এই বেতনে চার ছেলেমেয়েসহ ছয় সদস্যের পরিবারের ভরণপোষণ ও পড়াশোনার খরচ করে তেমন কোনো সঞ্চয় থাকার কথা নয়।

কিন্তু চাকরিজীবনের মাত্র ১৯ বছরেই কোটিপতি বনে গেছেন তিনি। পরিবারের সদস্যরাও বসবাস করছেন সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে। চট্টগ্রাম শহরে রয়েছে তার একটি সাততলা দৃষ্টিনন্দন বাড়ি, কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে রয়েছে দুই ইউনিটের একটি দ্বিতল ভবন, গ্রামে কিনেছেন সাত একর জায়গা-জমি, চট্টগ্রামের অভিজাত মার্কেটে আছে একটি দোকান। তা ছাড়া শেয়ারও রয়েছে শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারের।
কী করে সম্ভব এসব? দুদক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তা উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সফিউল্লা বলেন, ‘অনিয়ম-দুর্নীতি করে ১৯ বছরে এক কোটি সাত লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী, পিডিবির ভাণ্ডাররক্ষক এ এস এম হোসাইনুর জামান। তদন্ত শেষে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। দুর্নীতিতে সহযোগিতা করায় তার স্ত্রী লুৎফর নাহারকেও মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।’
অবশ্য অভিযুক্ত পিডিবির ভাণ্ডাররক্ষক এ এস এম হোসাইনুর জামান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অফিসিয়াল কোনো দুর্নীতির অভিযোগ নেই। জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় এ হয়রানিমূলক দুর্নীতির মামলাটি হয়েছিল।’ দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি সরাসরি কোনো উত্তর দেননি।
ভাণ্ডাররক্ষক জামানের বাবা মোখলেছুর রহমান রেলওয়ে বাংলাদেশের একজন পাম্পচালক ছিলেন। তেমন কোনো সম্পদও নেই তার। দুদকের তদন্ত শেষে চার্জশিটে তুলে ধরা হয়েছে, এ বেতনে সন্তানদের পড়াশোনা ও ছয় সদস্যের ভরণপোষণের পর জামানের বাড়তি অর্থ থাকা কঠিন। তারপরও পিডিবির ভাণ্ডাররক্ষক জামানের এক কোটি সাত লাখ ৩৯ হাজার ৩৭১ টাকার অবৈধ ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দালিলিক প্রমাণ পেয়েছে দুদক।
দুদক চার্জশিটে বলা হয়েছে, ১৯ বছরের চাকরিজীবনে জামান চতুর্থ শ্রেণির সরকারি কর্মচারী হিসেবে সাত বছর ও তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে ১২ বছর চাকরি করেন। এ সময় তিনি নিজের নামে ও স্ত্রী লুৎফর নাহার জামানের নামে চট্টগ্রাম শহরের হালিশহরের সবুজবাগ আবাসিক এলাকায় ‘আরিফ ভবন’ নামে দুই ইউনিটের সাততলা একটি বাড়ি (হোল্ডিং নম্বর ১৯৫৬) নির্মাণ করেছেন, যার মূল্য ৬২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের গ্রামের বাড়িতে ১৩ দশমিক ৫ শতক জমি কিনে তিনি পাঁচতলা ফাউন্ডেশন দিয়ে ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে ডাবল ইউনিটের দ্বিতল বাড়ি নির্মাণ করেছেন, যার মূল্য ৩০ লাখ টাকা। এ ছাড়া গ্রামে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে তিনি ১০ লাখ টাকার সাত একর ৫৩ শতক জমি কিনেছেন।
চট্টগ্রাম শহরের কাজীর দেউড়িতে অবস্থিত ভিআইপি টাওয়ারের ১২৫ নম্বর নাহার শাড়িঘর নামে একটি দোকানের পজিশন কিনেছেন চার লাখ সাত হাজার টাকা দিয়ে। চট্টগ্রাম মাতৃভূমি কমিউনিটি সেন্টারের শেয়ার কিনেছেন দুই লাখ টাকা দিয়ে। ২০১৭ সালের ২৭ আগস্ট চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আদালতে জামান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সফিউল্লা। ২০০৬ সালের ১৮ মে নগরীর হালিশহর থানায় এ দুর্নীতি মামলা করা হয়। আসামিরা জামিনে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আদালতে অনুপস্থিত রয়েছেন বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। সমকাল

প্রতি রাতেই নগ্ন হতে হয় : কোয়েল মল্লিক

প্রতি রাতেই টলিপাড়ার সুন্দরীদের ‘পোশাক’ খুলতে হয়৷ বিস্ফোরক এই মন্তব্য করে টলিগঞ্জে আলোড়ন ফেলে দিলেন রঞ্জিত-কন্যা অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক৷ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই বিস্ফোরক মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘প্রতি রাতেই আমাদের নগ্ন হতে হয়৷’ তাঁর এই কথার পরেই রীতিমতো হইচই পড়েছে রুপোলি জগতে৷

এদিনের সাক্ষাৎকারে নানা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন সাংবাদিকরা৷ তারই সুত্র ধরে সাংবাদিকরা জানতে চান, টলি অভিনেত্রী স্বস্তিকার সঙ্গে তাঁ সম্পর্ক কেমন? এর উত্তর দিতে গিয়েই কোয়েল বলেন, ‘আমার সঙ্গে ওঁর (স্বস্তিকা) সম্পর্ক কখনও খারাপ ছিল না৷ তবে কিছু সমস্যা হয়েছিল৷ সেটা সাময়িক? এখন তা এক্কেবারে স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে৷’

তিনি আবার স্বস্তিকার সঙ্গে অভিনয় করতে চান কি না? জানতে চাইলে টলিপাড়ার এই অভিনেত্রী বলেন, ‘ভালো কাজ থাকলে অবশ্যই করব৷ স্বস্তিকা খুবই সাহসী অভিনেত্রী৷ অনেক খোলামেলা৷ অভিনয়েও পারদর্শী৷ তবে, আমি অতটা করে উঠতে পারিনি৷ নতুন ভালো কিছু অফার পেলে অবশ্যই করব।’
এর পরই বিস্ফোরক মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘দেখুন প্রতিদিনই আমাদের নগ্ন হতে হয়৷ এতে লুকোচুরির কিছু নেই৷ তবে, আমাদের তো অভিনয়েই সব৷ সুতরাং অভিনয়ের জন্য নগ্নতাকে সামনে আনতেও কোনও অসুবিধা নেই৷’

Sunday, 29 October 2017

উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন কত হওয়া উচিত


উচ্চতা অনুযায়ী আপনার সঠিক ওজন কত, কতটুকু কম হলে আপনার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ- ওজন নিয়ে আমাদের সকলের মাথা ব্যথা। ওজন বাড়লেও সমস্যা আবার ওজন কম হলেও সমস্যা। চিকিৎসকরাও গুরুত্ব দেন ওজনের ওপরে।
মোটা রোগার থেকে শরীর সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল সঠিক ওজন। আমরা না জেনেই শারীরিক গঠন রোগা না মোটা সেই অনুযায়ী ওজন বাড়ানোর বা কমানোর চেষ্টা করি। আর তাতেই সমস্যা হয় শরীরে।
তাই আমাদের জেনে রাখা দরকার কোন শারীরিক উচ্চতায় কোন ওজন সঠিক? আদর্শ ওজন নির্ণয়ের পদ্ধতিতে একজন ব্যক্তির ওজন কিলোগ্রামে মাপা হয় এবং উচ্চতা মিটারে মাপা হয়।
এবার ওজনকে উচ্চতার বর্গফল দিয়ে ভাগ করা হয়। এই ভাগফলকে বলে বিএমআই। বিএমআই ১৮ থেকে ২৪-এর মধ্যে হলে স্বাভাবিক।
২৫ থেকে ৩০-এর মধ্যে হলে স্বাস্থ্যবান বা অল্প মোটা, ৩০ থেকে ৩৫-এর মধ্যে হলে বেশি মোটা। আর ৩৫-এর ওপরে হলে অত্যন্ত ও অসুস্থ পর্যায়ের মোটা বলা যেতে পারে।
তাহলে জেনে নিন আপনার ওজন আপনার উচ্চতা অনুযায়ী সঠিক তো?
উচ্চতা ——পুরুষ (কেজি) —- নারী (কেজি)
►৪’৭” —— ৩৯-৪৯ —– ৩৬-৪৬
►৪’৮” —— ৪১-৫০ —– ৩৮-৪৮
►৪’৯” —— ৪২-৫২ —– ৩৯–৫০
►৪’১০” —— ৪৪-৫৪ —– ৪১–৫২
►৪’১১” —— ৪৫-৫৬ —– ৪২-৫৩
►৫ফিট —— ৪৭-৫৮ —– ৪৩-৫৫
►৫’১” —— ৪৮-৬০ —– ৪৫-৫৭
►৫’২” —— ৫০-৬২ —– ৪৬-৫৯
►৫’৩” —— ৫১-৬৪ —– ৪৮-৬১
►৫’৪” —— ৫৩-৬৬ —– ৪৯-৬৩
►৫’৫” —— ৫৫-৬৮ —– ৫১-৬৫
►৫’৬” —— ৫৬-৭০ —– ৫৩-৬৭
►৫’৭” —— ৫৮-৭২ —– ৫৪-৬৯
► ৫’৮” —— ৬০-৭৪ —– ৫৬-৭১
► ৫’৯” —— ৬২-৭৬ —– ৫৭-৭১
►৫’১০” —— ৬৪-৭৯ —– ৫৯-৭৫
►৫’১১” —— ৬৫-৮১ —– ৬১-৭৭
►৬ ফিট —— ৬৭-৮৩ —– ৬৩-৮০
►৬’১” —— ৬৯-৮৬ —– ৬৫-৮২
►৬’২” —— ৭১-৮৮ —– ৬৭-৮৪

Friday, 13 October 2017

'ব্লু হোয়েল গেম' থেকে বিরত থাকতে করণীয় || ব্লু হোয়েল গেম কি

অবসরে স্মার্টফোনে গেম খেলার পরিণতি এতটা ভয়ানক হতে পারে কদিন আগেও কে ভেবেছিল তা?  কিন্তু এখন ভাবতে হচ্ছে তা। সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে আতংকের নাম হয়ে দাঁড়ানো ‘ব্লু হোয়েল’ গেম কেড়ে নিয়েছে অনেক তরুণ প্রাণ।

এর পরপরই মানুষ অনুধাবন করছে আপাত সাধারণ অনলাইন ভিত্তিক একটি গেমও কতটা মারাত্মক হতে পারে। আতঙ্কের পুরো নাম ‘ব্লু হোয়েল সুইসাইড গেম’। যেখানে একজনকে অতি সহজে বোকা বানিয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায় গেমটির এ্যাডমিন। গেমটি খেলতে খেলতে ব্যবহারকারীরা এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ছে যে এক সময় আত্মহত্যা করতেও হৃদয় কাঁপছে না তাদের।
পশ্চিমা ও ইউরোপীয় দেশগুলো ইতোমধ্যে এই গেমটির বিপক্ষে স্কুল কলেজসহ বিভিন্ন জায়গায় প্রচারণা চালাচ্ছে। তরুণ-তরুণীদের এ গেম খেলা থেকে বিরত রাখার জন্য রীতিমত চিন্তিত হয়ে পড়েছেন সেসব দেশের বিশেষজ্ঞরা।

'ব্লু হোয়েল গেম' থেকে বিরত থাকতে করণীয় || Blue whale Suic | Blue Whale ...

Thursday, 12 October 2017

ব্লু হোয়েল গেমে প্রদত্ত ৫০ দিনের কার্যসমূহ এক নজরে দেখেনিন

প্রানঘাতী এই ব্লু হোয়েল গেম গড়ে উঠেছে পরিচালকগণ এবং খেলোয়ারদের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে ৷ গেমের পরিচালকগন একটানা ৫০ দিন খেলোয়ারদের শ্রেনীবদ্ধ করনীয় কার্য প্রদান করে যা খেলায়ারদের প্রতিদিন অথবা অগ্রীম প্রদত্ত করা হয় যা খেলোয়ারকে নির্ধারিত সময়ের মাঝে শেষ করতে হয় ৷ এসকল কার্যের মাঝে নিজেকে আঘাত করা, অদ্ভুত সময় ঘুম থেকে উঠা, ভুতুড়ে ছবি দেখার মত কার্য অন্তর্ভুক্ত ৷ সর্বশেষ করনীয় কার্য হিসেবে গেমটির ৫০তম দিনে আত্নহত্যা করতে বলা হয় ৷ 

ব্লুহোয়েল গেমে প্রদত্ত ৫০ দিনের কার্যসমূহ: 

১. আপনার হাতে ক্ষুর দিয়ে “f57” লিখুন এবং পরিচালককে তার ছবি পাঠান।  

২. ভোর ৪.২০ এ উঠুন এবং পরিচালকের পাঠানো সাইকডেলিক এবং ভীতিকর ভিডিওগুলি দেখুন৷ 

৩. আপনার শিরা বরাবর একটি ক্ষুর দিয়ে কাটুন কিন্তু খুব গভীর না, শুধুমাত্র ৩ বার কাটতে হবে, কার্য শেষে পরিচালকে একটি ছবি পাঠান।  

৪. একখন্ডে কাগজে একটি তিমি অঙ্কন করুন এবং পরিচালকের নিকট, ছবি পাঠান।  

৫. আপনি যদি তিমি হতে প্রস্তুত হন, তাহলে আপনার পায়ে ক্ষুর দিয়ে “হ্যাঁ” লিখুন।  যদি প্রস্তুত না হন, নিজেকে অনেক অনেক বার ক্ষুর দিয়ে আঘাত করুন (নিজেকে শাস্তি দিন )।  
৬. সাংকেতিক ভাষা নিয়ে কাজ ৷ 

৭. হাতে ক্ষুর দিয়ে F40 লিখুন, পরিচালককে ছবি পাঠান।  

৮. আপনার VKontakte স্ট্যাটাসে “#i_am_whale” লিখুন ৷ 

৯. নিজের ভয়কে পরাস্ত করতে হবে ৷ 

১০. ৪.২০ এ জেগে উঠুন এবং একটি ছাদে যান (সবথেকে উচুঁ ভাল হবে) 

১১. ক্ষুর দিয়ে আপনার হাত উপর একটি তিমি অঙ্কিত করুন, পরিচালককে ছবি পাঠান।  

১২. পুরোদিন সাইকডেলিক এবং ভয়াবহ ভিডিও দেখুন ৷ 

১৩. পরিচালকের পাঠানো গান শুনুন।  

১৪. আপনার ঠোঁট কর্তণ করুন।  

১৫. একটি সুই দিয়ে আপনার হাতে বার বার খোচা দিন ৷ 

১৬. নিজে থেকে কষ্টদায়ক কিছু করুন, নিজেকে অসুস্থ করুন।  

১৭. আপনাপ খুঁজে পাওয়া সর্বোচ্চ উচু ছাদ যান এবং এর প্রান্ত গিয়ে কিছু সময়ের জন্য দাড়ান ৷ 

১৮. একটি সেতুতে যান, এক প্রান্তে দাঁড়ান ৷ 

১৯. একটি ক্রেন বেয়ে উঠুন বা অন্তত চেষ্টা করুন ৷ 

২০. পরিচালক বিচার করবে আপনি বিশ্বাসভাজন কিনা ৷ 

২১. স্কাইপে এখন তিমির সাথে কথা বলুন (আপনার মত অন্য কোনও খেলোয়াড়ের সাথে বা পরিচালকের সাথে )।  

২২. ছাদে যান এবং এর এক প্রান্তে পা ঝুলিয়ে বসুন ৷ 

২৩. সাংকেতিক ভাষা নিয়ে আরেকটি কাজ।  

২৪. গোপন কাজ ৷ 

২৫. একটি তিমির সঙ্গে বৈঠক করুন।  

২৬. পরিচালক আপনাকে আপনার মৃত্যুর তারিখ বলবে এবং আপনাকে এটি গ্রহণ করতে হবে।  

২৭. ৪.২০ উঠুন এবং রেলপথে যান (যে কোনও রেলপথ দেখুন যা আপনার নিকট পাবেন)।  

২৮. পুরোদিন কারো সাথে কথা বলা যাবে না ৷ 

২৯. শপথ করুন যে “আপনি একটি তিমি। ” 

৩০-৪৯. প্রতিদিন আপনি ৪.২০ জেগে উঠুন , ভুতুড়ে ভিডিও দেখুন, সঙ্গীত শুনুন যা “তারা” আপনাকে পাঠাচ্ছে ৷ প্রতিদিন আপনার শরীরে ১টি আঘাত করুন, এবং একজন তিমির সাথে কথা বলুন।  

৫০. নিজের জীবন নেও ৷