Saturday, 13 January 2018

#কিভাবে টার্কি মুরগি পালন করবেন -#মুরগি দিয়ে টার্কির ডিম ফুটানো পদ্ধতি |...



অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস:
পোল্ট্রির ১১টি প্রজাতির মধ্যে টার্কি অন্যতম। বৈজ্ঞানিক নাম Meleagris gallopavo। এটি (Turkey)  মেলিয়াগ্রিডিডিই পরিবারের এক ধরনের বড় আকৃতির পাখি বিশেষ। এগুলো দেখতে মুরগির বাচ্চার মতো হলেও আকারে তুলনামূলকভাবে অনেক বড়। বিশ্বের সর্বত্র টার্কি গৃহপালিত পাখিরুপে লালন-পালন করা হয়। পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে এবং পালনের জন্য উন্নত অবকাঠামো দরকার হয় না। টার্কি প্রতিদিন মোট খাদ্যের ৩০-৪০ ভাগ নরম ঘাস খায়, তাই খাবার খরচ কম। রোগবালাই কম বলে চিকিৎসা খরচ কম। মাংস উৎপাদনের দিক থেকে খুবই ভালো (আমাদের দেশে ৬ মাস বয়সে ৫-৬ কেজি)। পাখির মাংস হিসেবে এটা মজাদার এবং কম চর্বিযুক্ত। তাই গরু, খাসি, পোল্ট্রি ও দেশীয় হাঁস-মুরগির মাংসের পরিপূরক হতে পারে টার্কি।
টার্কি মূলত দুইভাবে পালন করা যায়-
১. মুক্ত চারণ পালন পদ্ধতি;
২. নিবিড় পালন পদ্ধতি।
মুক্ত চারণ পালন পদ্ধতি :
মুক্ত চারণ পদ্ধতিতে এক একর ঘেরা জমিতে ২০০-২৫০টি পূর্ণ বয়স্ক টার্কি পালন করা যায়। রাতে পাখিপ্রতি ৩-৪ বর্গফুট হারে জায়গা লাগে। চরে খাওয়ার সময় তাদের শিকারি জীবজন্তুর হাত থেকে বাঁচানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। ছায়া ও শীতল পরিবেশ জোগানের জন্য খামারে গাছ রোপণ করতে হবে। চারণভূমি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করতে হবে এতে পরজীবীর সংক্রমণ কম হয়। এ পদ্ধতির সুবিধা হলো খাবারের খরচ প্রায় অর্ধেক কম লাগে যা স্বল্প বিনিয়োগে খরচের তুলনায় লাভের হার বেশি হয়।
খাবার
মুক্ত চারণ পদ্ধতিতে টার্কি খুব ভালোভাবে আবর্জনা খুঁটে খায় বলে এরা কেঁচো, ছোট পোকামাকড়, শামুক, রান্নাঘরের বর্জ্য ও উঁইপোকা খেতে পারে। এগুলোত প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে যা খাবারের খরচকে প্রায় ৫০ শতাংশ কমিয়ে দেয়। এছাড়া শিম জাতীয় পশুখাদ্য যেমন- লুসার্ন, ডেসম্যান্থাস, স্টাইলো এসব খাওয়ানো যায়। চরে বেড়ানো পাখিদের পায়ের দুর্বলতা ও খোঁড়া হওয়া আটকাতে খাবারে ঝিঁনুকের খোলা মিশিয়ে সপ্তাহে ২৫০ গ্রাম হিসেবে ক্যালসিয়াম দিতে হবে। খাবারের খরচ কম করার জন্য শাকসবজির বর্জ্য অংশ দিয়ে খাবারের ১০ শতাংশ পরিমাণ পূরণ করা যেতে পারে।
স্বাস্থ্য রক্ষা
মুক্তচারণ ব্যবস্থায় পালিত টার্কির অভ্যন্তরীণ (গোল কৃমি) ও বাহ্য (ফাউল মাইট) পরজীবী সংক্রমণের সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে। তাই পাখিদের ভালো বিকাশের জন্য মাসে একবার ডিওয়ার্মিং ও ডিপিং করা আবশ্যক।
নিবিড় পালন পদ্ধতি  
নিবিড় পালন পদ্ধতিতে টার্কির বাসস্থান এদের রোদ, বৃষ্টি, হাওয়া, শিকারি জীবজন্তু থেকে বাঁচায় ও আরাম জোগায়। অপেক্ষাকৃত গরম অঞ্চলগুলোতে খামার করলে ঘরগুলো লম্বালম্বি পূর্ব থেকে পশ্চিমে রাখতে হবে। খোলা ঘরের প্রস্থ ৯ মিটারের বেশি হওয়া চলবে না। মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত ঘরের উচ্চতা ২.৬ থেকে ৩.৩ মিটারের মধ্যে থাকতে হবে। বৃষ্টির ছাঁট আটকাতে ঘরের চালা এক মিটার বাড়িয়ে রাখতে হবে। ঘরের মেঝে টেকসই, নিরাপদ ও আর্দ্রতারোধক বস্তু যেমন- কংক্রিটের হওয়া বাঞ্ছনীয়। কম বয়সি এবং প্রাপ্ত বয়স্ক পাখির ঘরের মধ্যে অন্তত ৫০ থেকে ১০০ মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং পাশাপাশি দুটি ঘরের মধ্যে অন্তত ২০ মিটার দূরত্ব থাকতে হবে। ডিপ লিটার পদ্ধতিতে টার্কি পালনের সাধারণ পরিচালনা ব্যবস্থা মুরগি পালনেরই মতো, তবে বড় আকারের পাখিটির জন্য যথাযথ বসবাস, ওয়াটারার ও ফিডারের জায়গার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
সুবিধা
উন্নত উৎপাদন দক্ষতা; উন্নততর পরিচালন ও ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ।
নিবিড় পালন ব্যবস্থায় খাদ্য
নিবিড় পালন ব্যবস্থায় টার্কি মুরগিকে ম্যাশ ও পিলেট (ট্যাবলেট) দুইভাবেই খাবার দিতে হবে। মুরগির তুলনায় টার্কির শক্তি, প্রোটিন ও খনিজের প্রয়োজন বেশি। সেজন্য টার্কির খাবারে এগুলোর আধিক্য থাকতে হবে। খাবার মাটিতে না দিয়ে ফিডারে দিতে হবে। যেহেতু পুরুষ ও মাদিও ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শক্তির (এনার্জি) পরিমাণ আলাদা, তাই ভালো ফল পাওয়ার জন্য তাদের পৃথকভাবে পালন করতে হবে। টার্কিদের সব সময় অবিরাম পরিষ্কার পানির প্রয়োজন। গ্রীষ্মকালে ওয়াটারারের সংখ্যা বাড়িয়ে দিতে হবে এবং আপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডা সময়ে খাবার দিতে হবে। পায়ের দুর্বলতা এড়াতে দিনে ৩০-৪০ গ্রাম হারে ঝিঁনুকের খোসার গুঁড়া দিতে হবে এবং খাবারে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হলে তা আস্তে আস্তে করতে হবে।
সবুজ খাদ্য
নিবিড় পদ্ধতিতে ড্রাই ম্যাশ হিসাবে মোট খাদ্যের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সবুজ খাবার দেয়া যায়। সব বয়সের টার্কির জন্য টাটকা লুসার্ন প্রথম শ্রেণীর সবুজ খাদ্য। এছাড়া খাবারের খরচ কম করার জন্য ডেসম্যান্থাস ও স্টাইলো কুচি করে টার্কিদের খাওয়ানো যেতে পারে।
টার্কি মুরগির বাচ্চা ও ডিম নিতে চাইলে আমাদের নিচের নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।
আ: ছালাম , 01913288255, 01911570615

Friday, 12 January 2018

অবাক কাণ্ড! দেখুন কিভাবে কুকুরটি গরুর বাছুরটিকে দুধ খাওয়াচ্ছে-Awesome Vi...

ইন্টারনেট বিক্রি করে গলাকাটা মুনাফা নয়: মোস্তাফা জব্বার


















মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের সর্বত্র সস্তায় নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিত করাকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ইন্টারনেটের দাম কমানোকে নিজের নৈতিক দায়িত্ব বলেছেন তিনি। ইন্টারনেট বিক্রি করা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি সীমিত মুনাফা করে ‘গলাকাটা মুনাফা’ করার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসারও আহ্বান তার।
সরকারের চার বছরপূর্তিতে ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এগিয়ে যাওয়ার আরও চার বছর’ নামের বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মোস্তাফা জব্বার।
মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের আগে থেকে সরকারের কাছে বারবার গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট সুলভ করার জোর দাবি জানিয়ে আসা ব্যক্তি তিনি। এখন নিজের হাতেই পেয়েছেন গুরুদায়িত্ব। এই দায়িত্ব নিয়ে ইন্টারনেটের দাম কমানোকে ‘নৈতিক দায়িত্ব’ জানিয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন: ডিজিটাল বাংলাদেশ সরকারের নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নয়, মোস্তাফা জব্বার-জুনাইদ আহমেদ পলকের না, এই বাংলাদেশ নতুন প্রজন্মের। কারণ প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় মেয়াদে ডিজিটাল বাংলাদেশ নতুন প্রজন্মের কাছে উৎসর্গ করেন।
এই নতুন প্রজন্মের ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ইন্টারনেট হচ্ছে মহাসড়ক। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করছেন। কিন্তু জ্ঞান ভিত্তিক সমাজের জন্য আমরাও মহাসড়ক গড়তে চাই, এটা ইন্টারনেট মহাসড়ক, এটা ইট-কংক্রিটের নয়। এই মহাসড়ক গড়া আমার মন্ত্রণালয়ের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
এই ‘ইন্টারনেট মহাসড়কের’ জন্য তিনটি বিষয় জরুরি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন: প্রথম বিষয়টি হলো ইন্টারনেটের গতি। ইন্টারনেটের গতি প্রয়োজন অনুযায়ী হতে হবে। আমরা এই গতি আনতে ফোরজি যুগে পা রাখতে যাচ্ছি। ফোরজি কার্যক্রম অব্যাহত আছে এবং থাকবে। তবে আমি বিশ্বাস করি কেবল মোবাইল ইন্টারনেট দিয়ে জনগণের ইন্টারনেট চাহিদা পূরণ করা যাবে না। এজন্য দরকার ব্রডব্যান্ড। বাড়ি বাড়ি ইন্টারনেট পৌঁছানোর পরিকল্পনা চলছে।
গলাকাটা মুনাফা নয়
আমাকে ধারণা দেয়া হয়েছিল সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি থেকে কোম্পানিগুলো প্রতি এমবিপিএস ৬২৫ টাকায় কিনে থাকে। আমি সাবমেরিন ক্যাবলের কোম্পানির সঙ্গে বৈঠক করে জানলাম চট্টগ্রাম থেকে ২০৪ টাকায় ব্যান্ডউইথ কিনছে কোম্পানিগুলো। ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কম দামে ব্যান্ডউইথ নিয়ে গ্রাহকদের কাছে বেশি দামে ডাটা বিক্রি করছে।
এমন অনৈতিকতার সমালোচনা করে তিনি বলেন: ব্যবসা মুনাফা করার জন্যই। যে দামে ব্যান্ডউইথ কিনছেন সেটার সঙ্গে মুনাফা, খরচ যোগ করেই দাম রাখুন। কিন্তু মুনাফা গলাকাটা হবে না।
শুক্রবার কর্মদিবস না হলেও কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে কর্মব্যস্ততা শুরু হয়। কারণ সরকারের ৪ বছর পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে সকাল-সকাল নবনিযুক্ত মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী আসেন টাওয়ারের তৃতীয় তলার বিসিসি মিলনায়তনে।
এখানে সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে সরকারের বর্তমান মেয়াদে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিখাতে আইসিটি বিভাগের অর্জন এবং আগামীর পরিকল্পনাগুলো তুলে ধরতে মঞ্চে আসেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
ইন্টারনেটকে ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল চারটি স্তম্ভের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ জানিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, সবার জন্য সুলভমূল্যে দ্রুতগতির নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে চায় সরকার। এজন্য গ্রাম পর্যন্ত ব্রডব্যান্ড সংযোগ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দেশের সকল ইউনিয়নে হাইস্পিড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সংযোগ দেবে সরকার। ইনফো সরকার ৩ প্রকল্পের মাধ্যমে এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।
দেশের ৫০ শতাংশ মানুষ এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। ২০২১ সালের মধ্যে সরকার শতভাগ মানুষকে ইন্টারনেটের আওতায় আনতে চায়। এজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার।
Source File : http://bdexpress.uodoo.com

আসছে আরেকটি ভয়াবহ শৈত্য প্রবাহ!


নিউজ ডেস্ক: কনকনে শীতে কাপছে পুরো দেশ। রাজধানীর চেয়ে গ্রামীণ জনপদে শীতের তীব্রতার সঙ্গে ঘন কুয়াশা আর উত্তরে শিরশিরে হাওয়ায় কাহিল অবস্থা জনজীবন। ৮ দিন ধরে দেশজুড়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ। এ সময় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছিল তেঁতুলিয়ায়।
 
মৃদু ও মাঝারী শৈত্য প্রবাহে অনেকটাই বিপর্যস্ত জনজীবন। শীতবস্ত্রের অভাবে কনকনে ঠাণ্ডায় ভুগছেন হতদরিদ্ররা। এদিকে, ঠাণ্ডাজনিত রোগ বালাইয়ে নাকাল শিশু ও বৃদ্ধরা। সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকে চারপাশ। শুক্রবার চুয়াডাঙ্গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
 
আবহাওয়ার স্বল্প মেয়াদী পূর্বাভাস বলছে, শীত আরো দুই দিন বাড়বে। জানুয়ারির শেষদিকে আসতে পারে আরেকটি শৈত্যপ্রবাহ। যা বয়ে যাবে ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে।
 
জানুয়ারি মাসে সব মিলিয়ে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এছাড়া, ফেব্রুয়ারি মাসে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। বৃষ্টির কারণে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমদিকে একটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
 
আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম বলেন, ১৪ জানুয়ারির পর কোথাও কোথাও রাতের তাপমাত্রা বেড়ে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতির দিকে যেতে পারে। মূলত ঘন কুয়াশার কারণে সূর্যের আলো আসতে পারছে না। বাংলাদেশের ভূখণ্ডে সূর্যের কিরণ আসতে পারছে না। এখানে ভূখণ্ড উত্তপ্ত হতে পারছে না। দিনের তাপমাত্রা প্রয়োজনমতো বাড়ছে না। বইছে উত্তর-পশ্চিমের হিমেল হাওয়া। তাই শীতের তীব্রতা কমছে না।
এমটি নিউজ/এপি/ডিসি

Tuesday, 9 January 2018

টুথপেস্টের এতো গুণ


সবার সকালের শুরুটা হয় ব্রাশ আর টুথপেস্ট দিয়ে। দাঁতের যত্নে টুথপেস্টের যেন কোনো বিকল্প নেই। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো শুধু দাঁতের যত্নে নয়, ব্রাশ করা ছাড়াও ত্বকের যত্ন থেকে শুরু করে ঘরের বিভিন্ন কাজে টুথপেস্ট ব্যবহার করা যায়।চলুন তাহলে এক নজরে দেখে নেয়া যাক টুথপেস্ট আমাদেরকী কী কাজে আসছে… •  দেয়ালে রঙ লাগলে: দেয়ালে লেগে থাকা হাতের ছাপ, রঙ কিংবা মার্কারের দাগ তুলে ফেলার জন্য  সেই দাগে পেস্ট লাগান এবং নরম ব্রাশ দিয়ে ঘষুন, দেখবেন দাগ উঠে যাবে। •  কাপড়ের জুতা পরিষ্কার রাখতে: সাদা কাপড়ের জুতা খুব তাড়াতাড়ি ময়লা হয়ে যায়। তাই এটি ঝকঝকে রাখতে পেস্ট লাগিয়ে ব্রাশ দিয়ে ঘষে কিছুক্ষণের জন্য রেখে দিন এবং নরম ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। জুতা নতুন লাগবে দেখতে। • হাত জলে গেলে: রান্না করতে গেলে গরম কিছুর ভাপ লাগলে বা মমের গালা হাতে পরলে পড়া স্থানে সঙ্গে সঙ্গে পেস্ট লাগান, জ্বলা কমে যাবে। •  মরিচা দাগ দূর করে: বেসিন বা বাথরুমের মরিচা বা পানির দাগ পরিষ্কার করতে টুথপেস্ট লাগিয়ে একটু জোরে ঘষে নিন। দেখবেন ঝকঝক করছে। •  হাতের দুর্গন্ধ দূর করে: হাতের থেকে কাঁচা মাছ-মাংস কিংবা রসুন বা পেঁয়াজের গন্ধ দূর করতে টুথপেস্টে হাতে ঘষে ধুয়ে নিন। গন্ধ চলে যাবে। •  ম্যাচের কাঠি জ্বালাতে: ম্যাচের কাঠি পানিতে পড়ে ভিজে গেলে প্রথমে কাপড় দিয়ে কাঠি থেকে পানি শুষে নিন।ম্যাচের মুখে টুথপেস্ট লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর মুছে ফেলুন। এরপর স্বাভাবিকভাবে জ্বালান, জ্বলে উঠবে।   •  স্ক্রেচ দূর করতে: মোবাইল ফোনেরস্ক্রিন কিংবা কাঠের আসবাবপত্রের ওপর স্ক্রেচ পরলে টুথপেস্ট লাগিয়ে মুছে ফেলুন। দেখবেন দাগ হালকা হয়ে গেছে। •  কাপড়ের দাগ দূর করতে: কাপড়ের মধ্যে রক্তের দাগ কিংবা চা-কফির দাগ লেগে গেলে দাগের ওপর টুথপেস্ট লাগিয়ে ঘোষুন এবং ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন দাগ চলে যাবে। •  অলংকার পরিষ্কার করতে: হীরার অলংকার নতুনের মতো ঝকঝকে রাখতে টুথপেস্ট লাগিয়ে নরম ব্রাশ দিয়ে ঘষুন এবং ধুয়ে ফেলুন।

source file : http://bdexpress.uodoo.com

ত্রিদেশীয় সিরিজের ৩ দলের স্কোয়াড ও সময়সূচি


ঢাকা: চলতি মাসের ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশে বসতে যাচ্ছে ত্রিদেশীয় সিরিজ। স্বাগতিক বাংলাদেশের সাথে অপর দুই দল শীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে। সিরিজটিকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে তিন দলই নিজেদের স্কােয়াড ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিবেন দলনেতা মাশরাফি বিন মুর্তজা, ত্রিদেশীয় সিরিজ দিয়ে শ্রীলঙ্কার একদিনের ফরম্যাটে অধিনায়কত্বে ফিরবেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ এবং জিম্বাবুয়েকে নেতৃত্ব দিবেন গ্রায়েম ক্রেমার। ঘরের মাঠে খেলা হলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ৭ জানুয়ারি ১৬ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করে। অন্যদিকে আজ (মঙ্গলবার) ১৬ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে শ্রীলঙ্কাও। তবে জিম্বাবুয়ের স্কোয়াডে ছিল ১৫ জন। এক নজরে যেমন হলো তিন দলের স্কোয়াড- বাংলাদেশ স্কোয়াড মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান (সহ-অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, এনামুল হক বিজয়, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাব্বির রহমান, নাসির হোসেন, মোহাম্মদ মিঠুন, মেহেদি হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, আবুল হাসান রাজু, মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন এবং সানজামুল ইসলাম। শ্রীলঙ্কা স্কোয়াড অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ (অধিনায়ক), উপুল থারাঙ্গা, দানুসকা গুনাথিলাকা, কুসাল মেন্ডিস, দিনেশ চান্ডিমাল, কুসাল পেরেরা, থিসারা পেরেরা, আসেলা গুনারত্নে, নিরোসান ডিকভেলা, সুরাঙ্গা লাকমাল, নুয়ান প্রদিপ, দাশমান্তথা চামিরা, শেহান মাদুশাঙ্কা, আকিলা ধনাঞ্জয়া, লাকসান সান্দাকান, ওয়িনিন্দু হাসারঙ্গা। জিম্বাবুয়ে স্কোয়াড গ্রায়েম ক্রেমার (অধিনায়ক), হ্যামিল্টন মাসাকাদজা, সলোমন মিরে, ক্রেইগ আরভিন, ব্রেন্ডন টেলর, সিকান্দার রাজা, পিটার মুর, ম্যালকম ওয়ালার, রায়ান মুরে (উইকেটরক্ষক), টেন্ডাই চিসোরো, ব্রেন্ডন মাভুতা, ব্লেসিং মুজারাবানি, ক্রিস্টোফার এমপোফু, টেন্ডাই চাতারা ও কাইল জার্ভিস। ত্রিদেশীয় সিরিজের সময়সূচি- তারিখ দল ভেন্যু ১৫.১.১৮ বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ১৭.১.১৮ শ্রীলঙ্কা বনাম জিম্বাবুয়ে শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ১৯.১.১৮ বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ২১.১.১৮ শ্রীলঙ্কা বনাম জিম্বাবুয়ে শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ২৩.১.১৮ বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ২৫.১.১৮ বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ২৭.১.১৮ ফাইনাল শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম উল্লেখ্য, ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে আসবে জিম্বাবুয়ে। ১৩ তারিখ ঢাকায় পৌঁছাবে শ্রীলঙ্কা দল। তিন দল একে অন্যের বিপক্ষে দুবার করে খেলে শীর্ষ দুই দল যাবে ফাইনালে। ২৭ জানুয়ারির ফাইনালসহ টুর্নামেন্টের সব খেলাই হবে মিরপুরে।

আমি ডাক্তার, আমার কাজ এগুলা করা; জোড় করে বিবস্ত্র করে….


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের চিকিৎসক রিয়াদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রী (১৭)।
গত সোমবার রাজধানীর শাহবাগ থানায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমনের সাধারণ নিবন্ধন শাখায় (জিআর) এই মামলার এজাহার আসে। এমন খবর দিয়েছে এনটিভি অনলাইন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, কিশোরী ওই ছাত্রীর বাড়ি ভোলা জেলায়। সে চর্মরোগে আক্রান্ত ছিল। গত বছরের ৬ অক্টোবর ভোলার যমুনা মেডিকেল সার্ভিসেসে ডাক্তার রিয়াদ সিদ্দিকীর কাছে ওই ছাত্রী তার চর্মরোগের সমস্যা নিয়ে পরামর্শ নিতে যায়। বিএসএমএমইউর ডাক্তার হলেও রিয়াদ সিদ্দিকী প্রতি শুক্রবার ভোলায় রোগী দেখতেন। ডাক্তার রিয়াদ প্রথম সাক্ষাতের সময় ওই কিশোরীকে বিবস্ত্র করে শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে মলম লাগিয়ে দেন। এ বিষয়ে কিশোরী প্রতিবাদ করলে ডাক্তার রিয়াদ বলেন, ‘আমি তোমার ডাক্তার। আমার কাজ এগুলা করা, আমি এগুলো করব।’ এ বলে ওই চিকিৎসক ছাত্রীর সব স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেন এবং কাউকে কিছু বলতে বারণ করেন। এরপর ছাত্রী লজ্জায় কাউকে কিছু বলেনি।
এরপর গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর ওই ছাত্রী পুনরায় চিকিৎসা করাতে ডাক্তার রিয়াদের কাছে যায়। ওই দিন ডাক্তার রিয়াদ আবার জোড় করে বিবস্ত্র করেন এবং যৌন কাজে লিপ্ত হন। ওই ছাত্রী তখন চিৎকার করলে ডাক্তার ওড়না দিয়ে তার মুখ বেঁধে ফেলেন। ছাত্রীকে বিষাক্ত ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর ডাক্তার রিয়াদ ওই ছাত্রীর কিছু গোপনীয় ছবি তুলেন এবং তা ইন্টারনেটে তুলে দেওয়ার হুমকি দেন। সেই সঙ্গে ছাত্রীকে নিয়মিত তার কাছে আসতে বলেন। এরপর ডাক্তার বিভিন্ন সময়ে ওই ছাত্রীর মা-বাবাকে ফোন করে জানান, আপনার মেয়ের মরণব্যাধি রোগ হয়েছে। তাকে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা নিতে হবে। এ ছাড়া ডাক্তার রিয়াদ সিদ্দিকী ওই ছাত্রীর মা-বাবাকে তাদের মেয়েকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন।
গত ৩০ ডিসেম্বর ওই ছাত্রীর মা-বাবাকে ফোন দিয়ে ডাক্তার রিয়াদ বলেন, আপনার মেয়ের চিকিৎসার জন্য বোর্ড বসানো হবে। পরের দিন ৩১ ডিসেম্বর ছাত্রীর মা-বাবা মেয়েকে নিয়ে সকালে ঢাকায় আসেন এবং বিএসএমএমইউ হাসপাতালে এসে পৌঁছান।
এরপর ডাক্তার রিয়াদকে ফোন দিলে ওইদিন সকাল ১০টায় মা-বাবা হাসপাতালের বটগাছের সামনে দেখা করেন এবং বোর্ড বসিয়ে ডাক্তার দেখানো হবে বলে ক্যান্টিনে অপেক্ষা করতে বলেন। ডাক্তার রিয়াদ ওই ছাত্রীকে হাসপাতালের বি ব্লকে এক নির্জন স্থানে নিয়ে যান এবং ধর্ষণ করার চেষ্টা করেন। ওই ছাত্রী কান্নাকাটি করে এবং একপর্যায়ে পালিয়ে যায়। পরে এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে চিকিৎসক রিয়াদ সিদ্দিকীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে।
Source File : http://bdexpress.uodoo.com